Uncategorized

যৌতুক প্রথা অনুচ্ছেদ (SSC HSC)

3.8/5 - (26 votes)

যৌতুক প্রথা অনুচ্ছেদ ৬ ৭ ৮ ৯ ১০ ১১ ১২ শ্রেণি। Dowry System paragraph for class 6 7 8 9 10 11 12 SSC HSC

যৌতুক প্রথা অনুচ্ছেদ (SSC HSC)

যৌতুক প্রথা

প্রথা নামে অনেক কু-প্রথা আমাদের সমাজে প্রচলিত আছে। এগুলাে মূলত ভয়ংকর কুসংস্কার ছাড়া কিছুই নয়। যৌতুক প্রথা বলতে এমন এক প্রথাকে বুঝায় যেখানে কনেপক্ষ বরপক্ষকে অর্থ প্রদান করে কন্যার বিয়ের ব্যবস্থা করে। এ প্রথাটি নারী নির্যাতনেরই এক বীভৎস রূপ। যুগ যুগ ধরে এ প্রথার নির্মম শিকার নারী জাতি। হিন্দু সমাজই যৌতুক প্রথার উদ্ভাবক। হিন্দু আইন অনুযায়ী বিবাহিত কন্যা উত্তরাধিকারসূত্রে পিতার সম্পত্তির অংশীদার হতে পারে না। সে কারণে বিবাহের সময় পিতা তার কন্যাকে যথাসম্ভব বেশি উপঢৌকন প্রদান করে থাকে। সেন রাজা বল্লাল সেন কর্তৃক প্রবর্তিত কৌলীন্য প্রথাও এর জন্য দায়ী। পাত্র পক্ষের সীমাহীন লালসার কারণে এ প্রথা ক্রমশ নির্যাতনের পর্যায়ে পৌঁছে যায়। অনাগত ভবিষ্যৎ জীবন যে স্থানে অতিবাহিত করতে হবে তা যেন আনন্দদায়ক, স্বচ্ছন্দ ও সুখকর হয় এই প্রত্যাশায় কন্যার পিতামাতা সুযােগ্য জামাতাকে যৌতুক প্রদান করে থাকে। বর্তমানকালে নারী স্বাধীনতা ও নারী মুক্তির স্বপক্ষে আমরা যত বক্তব্যই প্রদান করি না কেন, নারী সমাজ যৌতুক প্রথার অসম্মানকর নাগপাশ থেকে মুক্তি পায়নি। অধুনা শিক্ষা ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের অগ্রযাত্রা প্রায় সমতালে চললেও নির্যাতনের শিকার হতে হয় নারীদের। 

যৌতুক প্রথাজনিত নির্যাতনের ফলে নারী হত্যার ঘটনাও কম নয়। অনেক নারী মা-বাবার অসহায়ত্বের কথা ভেবে অথবা আত্মধিক্কারে জর্জরিত হয়ে বেছে নেয় আত্মহত্যার পথ। যৌতুক গ্রহণ একটি নিন্দিত প্রথা। তবে যৌতুক প্রথার অভিশাপ ক্রমান্বয়ে কমে আসছে। দুই দশক পূর্বেও যৌতুক, গ্রহণের ব্যাপারে পাত্রপক্ষের মধ্যে যেরকম দৃঢ় মনােভাব চিত্র বিদ্যমান ছিল, বর্তমানে তার অনেকটাই নিরসন হয়েছে। তবে এখনাে বিশেষত গ্রামাঞ্চলে যৌতুক বা পণ প্রথার প্রভাব রয়েছে আশঙ্কাজনক পর্যায়ে। যৌতুক প্রথা নিরসনের লক্ষ্যে ১৯৮০ সালে প্রণীত হয়েছে যৌতুকবিরােধী আইন। ১৯৯৫ সালে প্রণীত নারী ও শিশু নির্যাতন আইনেও যৌতুক প্রথার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। যৌতুক প্রদানের এই অভিশপ্ত প্রথাকে সমাজ থেকে চিরতরে উৎপাটন করার লক্ষ্যে সকলের সচেতন প্রয়াস। চালানাে একান্ত আবশ্যক।

 এই রকম আরও তথ্য পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন। এর পাশাপাশি গুগল নিউজে আমাদের ফলো করুন। 

Rimon

This is RIMON Proud owner of this blog. An employee by profession but proud to introduce myself as a blogger. I like to write on the blog. Moreover, I've a lot of interest in web design. I want to see myself as a successful blogger and SEO expert.
Paragraphs

Dowry System : Paragraph

3.9/5 - (57 votes)
Dowry means property or money brought by a bride to her husband when they marry. Usually in our society female children are considered inferior to male children. They are thought to be of no use to the family. So, during marriage ceremony a section of greedy people claim much wealth or money from the guardians of the brides. The poor and illiterate girls mainly become the victims of dowry. If the guardians fail to fulfill the demand of their bridegroom, they misbehave with their wives and sometimes torture them seriously. As a result many of them get divorced or commit suicide or are killed by their husbands. This system has affected our whole society. At present a father cannot think of the marriage of his daughter without giving dowry to the bridegroom. I am dead against this evil system of the society. This evil system should be uprooted from the society immediately. This social curse can be eliminated by changing the outlook of the people especially the male members of the society and by taking strict legal measures against the persons who take dowry. 

Alternative

There are many hateful systems in a poor or developing country. Dowry is a curse and this system is the most hateful system of our country. There is no written statement of it but it is a hateful act of the narrow-minded fathers. Dowry system is widely prevailed in the Hindu society because a daughter does not get any share of her father’s property. As Bangladesh was a part of Indian sub-continent, this system has been introduced to the Muslim society. The father or the guardian of the bridegroom take dowry in form of cash money, gold, silver, furniture, electronic instruments, land property etc. The father of the bride is the victim of dowry. As Bangladesh is a poor country, most families are poor. In most cases, these poor fathers have to pay the demanded dowry by borrowing money or by giving lease land or by selling land. Thus they become poor to poorer gradually. If the bride’s father cannot fulfill the demand of dowry, the bridegroom tortures and the in-laws maltreat the bride. Sometimes the husband divorces his wife. In this case, she has to be a barden to the father’s family with her infant children. She has to pass a miserable life working outside as a daily labor or maid-servant. Her children do not get any education and they become the street children or do various works. Only a few families are rich. The curse of dowry is great among the poor and uneducated people of the villages and towns. The elimination of the dowry system depends on the government and the conscious people. If the government think over about the root causes and pass effective rules and apply the rules properly and strictly, and if the conscious people help to remove this system, this social curse can be eliminated from the society.

 এই রকম আরও তথ্য পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন। এর পাশাপাশি গুগল নিউজে আমাদের ফলো করুন। 

Rimon

This is RIMON Proud owner of this blog. An employee by profession but proud to introduce myself as a blogger. I like to write on the blog. Moreover, I've a lot of interest in web design. I want to see myself as a successful blogger and SEO expert.

মন্তব্য করুন

Related Articles

Back to top button