Uncategorized

“ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং” সপ্তম সপ্তাহ এসএসসি ২০২১ অ্যাসাইনমেন্ট এর উত্তর

Rate this post
"ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং" সপ্তম সপ্তাহ এসএসসি ২০২১ অ্যাসাইনমেন্ট এর উত্তর

 ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের “ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং” সপ্তম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট। – Finance and Banking SSC 2021 7th Week Assignment Answer 

অ্যাসাইনমেন্ট নম্বরঃ ৫
অধ্যায়ঃ  পঞ্চম
অধ্যায়ের শিরোনামঃ মূলধনি আয়-ব্যয় প্রক্কালন

অ্যাসাইনমেন্ট শিরোনামঃ ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের সাফল্য ও  স্থায়িত্বের সাথে মূলধন বাজেটিং এর সম্পর্ক বিশ্লেষণ।


নিধারিত কাজঃ

“ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং” সপ্তম সপ্তাহ এর উত্তর

(ক) মূলধন বাজেটিং এর ধারণা:

যেকোনাে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের সাফল্য ও স্থায়িত্ব নির্ভর করে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়ােগ সিদ্ধান্তসমূহের উপর। মূলধন বাজেটিং হলাে অর্থায়নের একটি মূল্যায়ন প্রক্রিয়া, যা প্রতিষ্ঠনের দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়ােগ সিদ্ধান্তের সাথে জড়িত। অর্থাৎ এটি হলাে এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে প্রত্যেকটি বিনিয়ােগ সিদ্ধান্তের বা প্রকল্পের আয়-ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়। আয়-ব্যয় প্রাক্কলন শেষে এসব সিদ্ধান্তের বা প্রকল্পের নিট নগদ প্রবাহ বা নিট মুনাফা নির্ধারণ করা হয়। আবার নিট মুনাফার সাথে অবচয় যােগ করে নগদ আন্তঃপ্রবাহ নির্ণয় করা হয়। আর এই আন্তঃপ্রহের সাথে প্রারম্ভিক বিনিয়ােগ বা নগদ বহিঃপ্রবাহের তুলনা করে যদি আন্তঃপ্রবাহ বহিঃ প্রবাহ হতে বেশি হয় তাহলে বিনিয়ােগটি লাভজনক প্রতীয়মান হয় এবং গ্রহণযােগ্য বিবেচিত হয়। এই পুরাে প্রক্রিয়াটিকেই মূলত মূলধন বাজেটিং বলা হয়ে থাকে। 

যেকোনাে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়ােগের ক্ষেত্রে মূলধন বাজেটিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। যেমন- আমাদের বাসার পাশে একটি ফার্মেসি আছে যেখানে নানান রকমের ঔষধ সামগ্রী বিক্রয় করা হয়। তবে সম্প্রতি তার দোকানে মানুষের ভির বেড়ে যাওয়ায় তিনি ব্যবসায় সম্প্রসারণের কথা ভাবছেন এবং একজন কর্মচারী নিয়ােগের ব্যাপারেও চিন্তা করছেন। এক্ষেত্রে তিনি যে প্রক্রিয়া বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন তা হলাে মূলধন বাজেটিং।

(খ) মূলধন বাজেটিং এর গুরুত্বঃ

যেহেতু মূলধন বাজেটিং দীর্ঘমেয়াদি সিদ্ধান্তের সাথে জড়িত সুতরাং একে অর্থায়নের সাফল্যের চাবিকাঠি বলা হয়। ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে মূলধন বাজেটিং এতটাই  অপরির্য যে তা বাড়িয়ে বলার অপেক্ষা রাখে না। নিচে মূলধন বাজেটিং এর গুরুত্বতার কয়েকটি কারণ তুরে ধরা হলােঃ

১। মুনাফা অর্জনঃ  ব্যবসায়ের সর্বপ্রথম ও প্রধান উদ্দেশ্য হলাে মুনাফা অর্জন। তবে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি সচরাচর মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে উপার্জনকারী কিছু স্থায়ী সম্পত্তি ক্রয় করে থাকে। ফলে মুনাফা অর্জন পরােক্ষভাবে মূলধন বাজেটিং সিদ্ধান্তের উপর অনেকটায় নির্ভরশীল। যেমন- কোম্পানির দুটি মেশিন থাকা সত্ত্বেও অধিক মুনাফা পাওয়ার জন্য আরেকটি মেশিন ক্রয়ের সিদ্ধান্ত। 

২। বিনিয়ােগের বিশাল আকারঃ নতুন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান শুরু কিংবা ব্যবসায় সম্প্রসারণ প্রভৃতি মূলধন বাজেটিং সিদ্ধান্তের জন্য সচরাচর বড় অংকের তহবিল প্রয়ােজন হয়ে থাকে। আর কোনাে কারণে যদি সিদ্ধান্তে ভুল হয় এবং বিনিয়ােগ যথার্থ না হয়, তবে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানকে লােকসানের ভার বহন করতে হয়। যেমনঃ কোনাে হাউজিং কোম্পানি রাস্তাঘাট বিহীন কিছু আবাদি জমি কম দামে ক্রয় করে একটি বিল্ডিং তৈরি করল এ ভেবে যে আগামী ২-১ বছরের মধ্যে এখানে বসতি সৃষ্টি হবে। তবে তাদের ধারণা মিথ্যা প্রতিপন্ন হলাে। বসতি তাে হলােই না বরং সরকার কর্তৃক ঘােষিত হলাে যে আবাদি জমিসমূহ তে কোনাে দালান নির্মাণ করা যাবে না। নির্মিত দালান ভেঙ্গে ফেলা হবে এবং ক্ষতিপূরণ স্বরূপ ২৫,০০,০০০ টাকা প্রদান করা হবে। এতে প্রতিষ্ঠানটিকে এক বৃহৎ মাশুল দিতে হবে। 

৩। ঝুঁকির ভিত্তিতেঃ মূলধন বাজেটিং এর অধিকাংশ অনুমানই ভবিষ্যতের উপর নির্ভরশীল। মূলধন বাজেটিং সিদ্ধান্ত সর্বদায় ঝুঁকিযুক্ত। ফলে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়ােগের ক্ষেত্রে অবশ্যই ঝুঁকি নিরূপন এবং তার গ্রহণযােগ্যতা যাচাই করার প্রয়ােজন হয়। এক্ষেত্রে মূলধন বাজেটিং সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যেমনঃ কোনাে কোম্পানি একটি  মেশিন ও ৫ জন কর্মচারী থাকা সত্ত্বেও আরাে একটি মেশিন এবং ২জন কর্মচারী নিয়ােগ করল ব্যবসায়ের পরিধি বৃদ্ধির লক্ষ্যে। এখন প্রচারণার পর যদি বিক্রয় বৃদ্ধি পায় তবে কোম্পানি লাভবান হবে অন্যতায় ক্ষতির সম্মুখীন হবে।

(গ) মূলধন বাজেটিং এর প্রয়োগ ক্ষেত্রেঃ 

দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়ােগের সব ক্ষেত্রেই মূলধন বাজেটিং প্রক্রিয়ার প্রয়ােগ করা হয়। নিচে মূলধন বাজেটিং প্রয়ােগের কিছু জনপ্রিয় ক্ষেত্রের বর্ণনা দেওয়া হলাে: 

১। স্থায়ী সম্পত্তি ক্রয়ঃ কোনাে কোম্পানি কিংবা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায় আরম্ভের ক্ষেত্রে অবশ্যই কিছু স্থায়ী সম্পত্তির প্রয়ােজন হয়। বড় কোম্পানির যেমন এই ধরনের স্থায়ী সম্পত্তির প্রয়ােজন হয় তেমনি ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেরও কিছু না কিছু স্থায়ী সম্পত্তির প্রয়ােজন হয়। যেমন একটি সেলুনে চেয়ার, চুল কাটার মেশিন, এসব যেমন প্রয়ােজন তেমনি কোন ঔষধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানে সর্বপ্রথম জমি, দালানকোঠা, আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি প্রভৃতি স্থায়ী সম্পত্তির প্রয়ােজন হয়। আর এই সকল স্থায়ী সম্পত্তি ক্রয়ে মূলধন বাজেটিং সিদ্ধান্ত অতীব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আবার এইসব স্থায়ী সম্পত্তি চেয়ার, দালানকোঠা, আসবাবপত্র একটি নির্দিষ্ট সময় পরে প্রতিস্থাপনের প্রয়ােজন হয়। সেক্ষেত্রেও মূলধন বাজেটিং সিদ্ধান্ত অপরিসীম ভূমিকা পালন করে থাকে। 

২। ব্যবসার পণ্য উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধিকল্পে সম্প্রসারণঃ কোনাে চলমান প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এক সময় উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধির প্রয়ােজন হতে পারে। সেক্ষেত্রে হয়ত নতুন যন্ত্রপাতি, আসবাব বা দালান ইত্যাদি ক্রয়ের প্রয়ােজন হয়। যেমনঃ কোনাে ফার্মেসি তাদের ব্যবসায়ের পরিধি বৃদ্ধির জন্য ঔষধ রাখার নতুন সেলফ ক্রয়ের প্রয়ােজন হতে পারে। সে সময় এসব ক্রয়ে কত ব্যয় হতে পারে, কি পরিমাণ আয় বাড়তে পারে ইত্যাদি প্রাক্কলন করা হয় মূলধন বাজেটিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। 

৩। পণ্য বৈচিত্রায়ণঃ কোম্পানির পরিধি সম্প্রসারণের জন্য অনেক সময় বাজারে নতুন পণ্য ছাড়তে হয়। যেমন- কাপ মিল্ক আইসক্রিমের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান চকোলেট কাপ আইসক্রিম বাজারে ছাড়তে পারে। তবে এক্ষেত্রে পণ্যের আয়ুষ্কাল, উৎপাদন খরচ, বাজার চাহিদা, পরিচালনা খরচ এবং সম্ভাব্য আয় প্রাক্কলন করে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। এক্ষেত্রে মূলধন বাজেটিং এর প্রয়ােগ লক্ষ্য করা যায়। 

৪। প্রতিস্থাপন ও আধুনিকায়নঃ ব্যবসার প্রয়ােজনে উৎপাদন পদ্ধতির প্রতিস্থাপন ও আধুনিকায়নের প্রয়ােজন হয়। এক্ষেত্রে প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে উৎপাদন খরচ কমানাে এবং এর মাধ্যমে ব্যবসার লাভ বৃদ্ধি করা। তবে তা কোম্পানির পুরাতন উৎপাদন পদ্ধতির সাথে নতুন পদ্ধতির তুলনার প্রয়ােজন হয়। যেমনঃ সেলুনের সাজসজ্জা পরিবর্তন করে এসি সেলুন। বানানাে।

(ঘ) মূলধন বাজেটিং এর প্রক্রিয়ার ধাপঃ

মূলধন বাজেটিং প্রক্রিয়া বেশ কিছু ধাপ অনুসারে সম্পাদন করা হয়। দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়ােগ সিদ্ধান্তে মূলধন বাজেটিং প্রক্রিয়ার ধাপগুলাে নিম্নরূপ:
ক) নগদ প্রবাহ প্রাক্কলন
খ) বাট্টা হার নির্ধারণ
গ) মূলধন বাজেটিং পদ্ধতি নির্বাচন ও প্রয়ােগ

ক) নগদ প্রবাহ প্রাক্কলনঃ মূলধন বাজেটিং প্রক্রিয়া প্রয়ােগের প্রথম ধাপ হচ্ছে নগদের আন্তঃপ্রবাহ ও বহিঃপ্রবাহ প্রাক্কলন করা। প্রতিষ্ঠানের নগদ প্রবাহ করতে প্রতিষ্ঠানকে বিক্রয় পূর্বানুমান, চলতি খরচ পূর্বানুমান, মূলধনি ব্যয় এবং অন্যান্য ব্যয় নির্ধারণ করতে হয়। বিক্রয় থেকে প্রতিষ্ঠানের নগদ আন্তঃপ্রবাহ ঘটে এবং চলতি খরচ, মূলধনি ব্যয় এবং অন্যান্য খরচ পূর্বানুমান থেকে নগদ বহিঃপ্রবাহ ঘটে। এখানে বিক্রয় অনুমান, চলতি খরচ, স্থায়ী খরচ প্রত্যেকটি বিষয় অতি সতর্কতার সাথে নির্ধারণ করতে হয়। এগুলাে পূর্বানুমানের পর প্রতিবছর বিক্রি থেকে মােট অর্জিত আয় পাওয়া যায়। এই অর্জিত আয় থেকে নগদ আন্তঃপ্রবাহ পাওয়া যায়। অতএব বলা যায়, নগদ প্রবাহের সঠিক প্রাক্কলন নির্ভর করে পণ্যের ভবিষ্যৎ বছরগুলােতে বিক্রয়মূল্য এবং কতগুলাে পণ্য বিক্রয় হবে তার উপর। অনুরূপভাবে প্রতিষ্ঠানের মােট খরচের মাধ্যমে নগদ বহিঃপ্রবাহ ঘটে। একটি প্রতিষ্ঠানের চলতি খরচ এবং স্থায়ী খরচ মিলে মােট খরচ হয়। বিক্রয় অনুমানের মতাে প্রত্যেক চলতি খরচ এবং স্থায়ী খরচ পূর্বানুমানে অতি সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়। কোনাে কারণে এসব খরচ অনুমানে ভুল হলে মূলধন বাজেটিং ভুল সিদ্ধান্ত দিতে পারে, যে কারণে প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। 

খ) বাট্টা হারঃ নগদ প্রবাহ নির্ধারণ করার পর সেগুলােকে নগদ মূল্যে রূপান্তর করার জন্য বাট্টা হার প্রয়ােজন হয়। ভবিষ্যৎ বছরগুলােতে আগত নগদ প্রবাহের পরিমাণ সমান হলেও সেগুলাের বর্তমান মূল্য সমান হয় না। অর্থের সময়মূল্য অনুযায়ী নগদ প্রবাহ যত দেরিতে পাওয়া যায়, সেটির বর্তমান মূল্য তত কম। বিনিয়ােগ সুযােগ বা প্রকল্প থেকে যেহেতু বেশ কয়েক বছর ধরে নগদ প্রবাহ পাওয়া যায়, সেহেতু মূলধন বাজেটিং এর মাধ্যমে সঠিক বিনিয়ােগ সুযােগ নিতে হলে ভবিষ্যতে আগত নগদ প্রবাহগুলাের বর্তমান মূল্য নির্ণয় করতে হয়। এ কারণে বাট্টা হারের প্রয়ােজন হয়। 

গ) মলধন বাজেটিং পদ্ধতির প্রয়ােগঃ নগদ প্রবাহ প্রাক্কলন এবং বাট্টা হার  নির্ধারণের পর মূলধন বাজেটিং পদ্ধতি নির্বাচন করতে হয়। কেননা মূলধন বাজেটিং এর বেশ কিছু পদ্ধতি রয়েছে। প্রত্যেকটি পদ্ধতির কিছু সুবিধা অসুবিধা রয়েছে। বিনিয়ােগ সুযােগ বা প্রকল্পের ধরন, ঝুঁকি এবং অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করে সঠিক পদ্ধতিটি নির্বাচন করতে হয়।

(ঙ) ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের সাফল্য ও স্থায়িত্বের সাথে মূলধন বাজেটিং এর সম্পর্কঃ

ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান আর মূলধন বাজেটিং যেন একই মুদ্রার এপাশ ওপাশ। মূলধন বাজেটিং সিদ্ধান্তে সামান্যতম ত্রুটিও ব্যবসায়ের অস্থিত্বকে ধ্বংসের মুখে ফেলতে পারে। তাই মূলধন বাজেটিং হতে হয় সঠিক এবং বাস্তবসম্মত। এতে ব্যবসায় সফলতা অর্জিত হয় এবং ব্যবসায়কে টিকিয়ে রাখতে সহায়তা করে। যেমনঃ  কোনাে মুদি দোকানদার তার ব্যবসায়ে মুনাফা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি ফ্রিজ কিনতে চাই তবে তাকে মূলধন বাজেটিং অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে হবে এতে তিনি দেখতে পাবেন লাভ কিংবা মুনাফার মুখ, যদি তা অনুসরণ করা না হয় তবে লােকসানও হতে পারে। আবার কোনাে পােশাক শিল্প তাদের নিজেদের দালানের পাশাপাশি ব্যবসায়ের পরিধি বাড়াতে নতুন দালানের প্রয়ােজন হলে তারা তা ভাড়া নিতে পারে কিংবা ক্রয়ও করতে পারে। মূলত তা নির্ভর করে মূলধন বাজেটিং সিদ্ধান্তের উপর। তাই বলা যায়, এই ধরনের সকল দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়ােগ সিদ্ধান্তে ব্যবসায়ে মূলধন বাজেটিং এর অবদান অনস্বীর্য।



 এই রকম আরও তথ্য পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন। এর পাশাপাশি গুগল নিউজে আমাদের ফলো করুন। 

Rimon

This is RIMON Proud owner of this blog. An employee by profession but proud to introduce myself as a blogger. I like to write on the blog. Moreover, I've a lot of interest in web design. I want to see myself as a successful blogger and SEO expert.

মন্তব্য করুন

Back to top button