স্বাস্থ্য কথা

Cholesterol: কোলেস্টেরল হাই? রোজকার ডায়েটে কী কী রাখবেন জেনে নিন

Rate this post

রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি হলে ২৫-৩০ গ্রাম ফাইবার নিয়মিত খেতে হবে। এছাড়াও মসুর ডাল, বীট, গাজর, ওটস, শুকনো বাদাম, রাজমা, বেদানা, বাজরের রুটি প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখুন। 

রক্তনালীতে কোলেস্টেরল জমতে শুরু করলে তা পরবর্তীতে বিপদ ডেকে আনতে পারে। বাড়ে একাধিক স্বাস্থ্য ঝুঁকি। অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, অতিরিক্ত খাওয়া-দাওয়া ইত্যাদির ফলে রক্তে কোলেস্টেরল বেড়ে যায়। এই কোলেস্টেরল কিছু ক্ষেত্রে জেনেটিকও। আজকাল কোলেস্টেরলে ভুগছেন এমন বেশিরভাগ লোকেরই অস্বাস্থ্যকর জীবনধারা রয়েছে। তাই কোলেস্টেরলকে নীরব ঘাতক বলা হয়। কোলেস্টেরল এমন একটি সমস্যা যা ডায়েট, নিয়মিত ব্যায়াম এবং চেক-আপের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন। অন্যথায়, নিজেকেই পড়তে ববে জটিল বিপদে।

Cholesterol: কোলেস্টেরল হাই? রোজকার ডায়েটে কী কী রাখবেন জেনে নিন
ছবি সূত্রঃ ইন্টারনেট

ন্যাশনাল হার্ট, লাং অ্যান্ড ব্লাড ইনস্টিটিউটের মতে, একজন ব্যক্তির কোলেস্টেরল সীমার মধ্যে আছে কিনা তা দেখার জন্য নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এবং তাই প্রথম কোলেস্টেরল স্ক্রিনিং করা উচিত ৯-১১ বছর বয়সের মধ্যে। ৪৫ থেকে ৬৫ বছর বয়সী পুরুষ এবং ৫৫ থেকে ৬৫ বছর বয়সী মহিলাদের বছরে অন্তত দুবার তাদের কোলেস্টেরল পরীক্ষা করা উচিত। এছাড়াও, 65 বছর বয়সে পৌঁছানোর পরে, এই পরীক্ষাটি অবশ্যই প্রতি বছর একবার করা উচিত। পরীক্ষায় উচ্চমাত্রার কোলেস্টেরল ধরা পড়লে সে বিষয়ে সচেতন হতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিদিনের তালিকায় কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ কমাতে হবে।

কম চর্বি এবং শর্করাযুক্ত খাবার খান – প্রতিদিনের খাবার থেকে চর্বি কমাতে হবে। প্রথমে কুকিজ, চিপস, চানাচুর, ভুট্টা কেটে নিন। বিজ্ঞাপনের মতো খুব বেশি উদ্ভিজ্জ তেল খাবেন না। শরীরের চাহিদা মেটাতে খাদ্যতালিকায় সামান্য মাখন, মাছ, খুব অল্প পরিমাণ বাদাম রাখুন। পাশাপাশি বিভিন্ন বীজ রাখতে ভুলবেন না। একটু চিজও খেতে পারেন। এটি শরীরে ভালো কোলেস্টেরল অর্থাৎ HDL এর পরিমাণ বাড়ায়।

কোলেস্টেরলের সমস্যার পারিবারিক ইতিহাস না থাকলে ওজন কমানো অনেক সহজ। অতিরিক্ত চর্বি না খেলে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। এছাড়াও পরিশোধিত খাদ্য, পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ কমিয়ে দিন। অন্য কথায়, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, চিপস এবং চিনিযুক্ত খাবার সম্পূর্ণ কমিয়ে দিতে হবে।

রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি হলে ২৫-৩০ গ্রাম ফাইবার নিয়মিত খেতে হবে। এছাড়াও মসুর ডাল, বীট, গাজর, ওটস, শুকনো বাদাম, রাজমা, বেদানা, বাজরের রুটি প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখুন। পুষ্টিবিদরা আরও বলেন যে ইন্টিমেট ফাস্টিং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে উপকারী। ফলে রক্তে ইনসুলিনের প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। গ্লুকোজ শোষণও অনেক সহজ হয়। ওজন, ট্রাইগ্লিসারাইড, কোলেস্টেরলও নিয়ন্ত্রণে থাকে। সেই সঙ্গে মানসিক চাপও কমাতে হবে। মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিজের যত্ন নিতে হবে। দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ হার্ট অ্যাটাকের অন্যতম কারণ।


 এই রকম আরও তথ্য পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন। এর পাশাপাশি গুগল নিউজে আমাদের ফলো করুন। 

Rimon

This is RIMON Proud owner of this blog. An employee by profession but proud to introduce myself as a blogger. I like to write on the blog. Moreover, I've a lot of interest in web design. I want to see myself as a successful blogger and SEO expert.

মন্তব্য করুন

Related Articles

Back to top button