সূরা মূলক অর্থসহ বাংলা উচ্চারণ ও ফজিলত | Meaning of Surah Al-Mulk & Benefits

সূরা মূলক অর্থসহ বাংলা উচ্চারণ ও ফজিলত | Meaning of Surah Al-Mulk & Benefits

SHARE:

সূরা মূলক (Arabic: سورة الملك‎) পবিত্র কুরআন শরীফের ৬৭ তম সূরা। মূলক শব্দের অর্থ হল সার্বভৌম ক্ষমতা (Sovereignty). সূরাটির আয়াত সংখ্যা ৩০ টি। সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয় তাই এটি মাক্কী সূরার শ্রেণীভুক্ত। এই সূরাটিতে প্রথমে আল্লাহর সার্বভৌম ক্ষমতার কথা বলা হয়েছে এবং মানব সৃষ্টির উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলা হয়েছে।


    সূরা মূলক (Arabic: سورة الملك‎) পবিত্র কুরআন শরীফের ৬৭ তম সূরা। মূলক শব্দের অর্থ হল সার্বভৌম ক্ষমতা (Sovereignty). সূরাটির আয়াত সংখ্যা ৩০ টি। সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয় তাই এটি মাক্কী সূরার শ্রেণীভুক্ত। এই সূরাটিতে প্রথমে আল্লাহর সার্বভৌম ক্ষমতার কথা বলা হয়েছে এবং মানব সৃষ্টির উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলা হয়েছে। এই সূরাটিতে জোর দিয়ে বলা হয়েছে কোনো ব্যক্তি নিজের ইচ্ছা অন্যের উপর চাপিয়ে দিতে পারে না বরং কেবল তাকে গাইড করতে পারে এবং একটি উদাহরণ স্থাপন করতে পারে।

    আয়াতসমূহ ও বাংলা অর্থ 

    بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ
    শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।


    تَبَٰرَكَ ٱلَّذِى بِيَدِهِ ٱلْمُلْكُ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ
    উচ্চারণঃ তাবা-রাকাল্লাযী বিয়াদিহিল মুলকু ওয়া হুওয়া ‘আলা- কুল্লি শাইয়িন কাদীর।
    অর্থঃ মহামহিমান্বিত তিনি যাঁর হাতে রয়েছে সার্বভৌম কর্তৃত্ব, আর তিনি সব-কিছুর উপরে সর্বশক্তিমান।

    اۨلَّذِىْ خَلَقَ الْمَوْتَ وَالْحَيٰوةَ لِيَبْلُوَكُمْ اَيُّكُمْ اَحْسَنُ  عَمَلًا  ؕ وَهُوَ الْعَزِيْزُ الْغَفُوْرُۙ
    উচ্চারণঃ আল্লাযী খালাকাল মাওতা ওয়াল হায়া-তা লিইয়াবলুওয়াকুম আইয়ুকুম আহছানু‘আমালাওঁ ওয়া হুওয়াল ‘আঝীঝুল গাফূর।
    অর্থঃ যিনি সৃষ্টি করেছেন মরণ ও জীবন, যাতে তোমাদেরকে পরীক্ষা করেন-কে তোমাদের মধ্যে কর্মে শ্রেষ্ঠ? তিনি পরাক্রমশালী, ক্ষমাময়।

    الَّذِىْ خَلَقَ سَبْعَ سَمٰوٰتٍ طِبَاقًا‌ ؕ مَا تَرٰى فِىْ خَلْقِ الرَّحْمٰنِ مِنْ تَفٰوُتٍ‌ ؕ فَارْجِعِ الْبَصَرَۙ هَلْ تَرٰى مِنْ فُطُوْرٍ
    উচ্চারণঃ আল্লাযী খালাকা ছাব‘আ ছামা-ওয়া-তিন তিবা-কান মা- তারা- ফী খালকির রাহমা-নি মিন তাফা-উত ফারজি‘ইল বাসারা হাল তারা- মিন ফুতূর।
    অর্থঃ যিনি সাত আকাশ সৃষ্টি করেছেন সুবিন্যস্তভাবে। তুমি পরম করুণাময়ের সৃষ্টিতে কোনো অসামঞ্জস্য দেখতে পাবে না। তারপর তুমি দৃষ্টি ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে নাও, তুমি কি কোনো ফাটল দেখতে পাচ্ছ?

    ثُمَّ ارْجِعِ الْبَصَرَ كَرَّتَيْنِ يَنْقَلِبْ اِلَيْكَ  الْبَصَرُ خَاسِئًا وَّهُوَ حَسِيْرٌ
    উচ্চারণঃ ছু ম্মার জি‘ইলবাসারা কাররাতাইনি ইয়ানকালিব ইলাইকাল বাসারু খা-ছিআওঁ ওয়া হুওয়া হাছীর।
    অর্থঃ অতঃপর তুমি বার বার তাকিয়ে দেখ-তোমার দৃষ্টি ব্যর্থ ও পরিশ্রান্ত হয়ে তোমার দিকে ফিরে আসবে।

    وَلَـقَدْ زَيَّـنَّا السَّمَآءَ الدُّنْيَا  بِمَصَابِيْحَ وَجَعَلْنٰهَا رُجُوْمًا لِّلشَّيٰطِيْنِ‌ وَاَعْتَدْنَا لَهُمْ  عَذَابَ السَّعِيْرِ
    উচ্চারণঃ ওয়া লাকাদ ঝাইয়ান্নাছ ছামাআদ্দুনইয়া- বিমাসা-বীহা ওয়াজা‘আলনা- হা- রুজূমাল লিশশায়া-তীনি ওয়া আ‘তাদনা- লাহুম ‘আযা- বাছছা‘ঈর।
    অর্থঃ আমি সর্বনিম্ন আকাশকে প্রদীপমালা দ্বারা সুসজ্জত করেছি; সেগুলোকে শয়তানদের জন্যে ক্ষেপণাস্ত্রবৎ করেছি এবং প্রস্তুত করে রেখেছি তাদের জন্যে জলন্ত অগ্নির শাস্তি।

    وَلِلَّذِيْنَ كَفَرُوْا بِرَبِّهِمْ عَذَابُ جَهَنَّمَ‌ؕ  وَبِئْسَ الْمَصِيْرُ
    উচ্চারণঃ ওয়া লিল্লাযীনা কাফারূবিরাব্বিহিম ‘আযা- বুজাহান্নামা ওয়াবি’ছাল মাসীর।
    অর্থঃ যারা তাদের পালনকর্তাকে অস্বীকার করেছে তাদের জন্যে রয়েছে জাহান্নামের শাস্তি। সেটা কতই না নিকৃষ্ট স্থান।

    اِذَاۤ اُلْقُوْا فِيْهَا سَمِعُوْا لَهَا شَهِيْقًا وَّهِىَ  تَفُوْرُۙ
    উচ্চারণঃ ইযাউলকূফীহা- ছামি‘উ লাহা- শাহীকাওঁ ওয়াহিয়া তাফূর।
    অর্থঃ যখন তারা তথায় নিক্ষিপ্ত হবে, তখন তার উৎক্ষিপ্ত গর্জন শুনতে পাবে।

    تَكَادُ تَمَيَّزُ مِنَ الْغَيْظِ‌ؕ كُلَّمَاۤ اُلْقِىَ فِيْهَا فَوْجٌ سَاَلَهُمْ  خَزَنَـتُهَاۤ اَلَمْ يَاْتِكُمْ نَذِيْرٌ
    উচ্চারণঃ তাকা- দুতামাইয়াঝুমিনাল গাইজি কুল্লামাউলকিয়া ফীহা- ফাওজুন ছাআলাহুম খাঝানাতুহাআলাম ইয়া’তিকুম নাযীর।
    অর্থঃ ক্রোধে জাহান্নাম যেন ফেটে পড়বে। যখনই তাতে কোন সম্প্রদায় নিক্ষিপ্ত হবে তখন তাদেরকে তার সিপাহীরা জিজ্ঞাসা করবে। তোমাদের কাছে কি কোন সতর্ককারী আগমন করেনি?

    قَالُوْا بَلٰى قَدْ جَآءَنَا نَذِيْرٌ  ۙ فَكَذَّبْنَا وَقُلْنَا مَا نَزَّلَ اللّٰهُ مِنْ شَىْءٍ   ۖۚ اِنْ اَنْتُمْ اِلَّا فِىْ ضَلٰلٍ كَبِيْرٍ
    উচ্চারণঃ কা- লূবালা- কাদ জাআনা- নাযীরুন ফাকাযযাবনা- ওয়া কুলনা- মানাঝঝালাল্লা- হু মিন শাইয়িন ইন আনতুম ইল্লা- ফী দালা- লিন কাবীর।
    অর্থঃ তারা বলবেঃ হ্যাঁ আমাদের কাছে সতর্ককারী আগমন করেছিল, অতঃপর আমরা মিথ্যারোপ করেছিলাম এবং বলেছিলামঃ আল্লাহ তা’আলা কোন কিছু নাজিল করেননি। তোমরা মহাবিভ্রান্তিতে পড়ে রয়েছ।

    وَقَالُوْا لَوْ كُنَّا نَسْمَعُ اَوْ نَعْقِلُ مَا كُنَّا فِىْۤ اَصْحٰبِ السَّعِيْرِ
    উচ্চারণঃ ওয়া কা-লূলাও কুন্না- নাছমা‘উ আও না‘কিলুমা- কুন্না-ফীআসহা-বিছছা‘ঈর।
    অর্থঃ তারা আরও বলবেঃ যদি আমরা শুনতাম অথবা বুদ্ধি খাটাতাম, তবে আমরা জাহান্নামবাসীদের মধ্যে থাকতাম না।

    فَاعْتَرَفُوْا بِذَنْۢبِهِمْ‌ۚ فَسُحْقًا لِّاَصْحٰبِ السَّعِيْرِ
    উচ্চারণঃ ফা‘তারাফূবিযামবিহিম ফাছুহক্বললিআসহা-বিছ ছা‘ঈর।
    অর্থঃ অতঃপর তারা তাদের অপরাধ স্বীকার করবে। জাহান্নামীরা দূর হোক।

    اِنَّ الَّذِيْنَ  يَخْشَوْنَ رَبَّهُمْ بِالْغَيْبِ لَهُمْ مَّغْفِرَةٌ وَّاَجْرٌ كَبِيْرٌ
    উচ্চারণঃ ইন্নাল্লাযীনা ইয়াখশাওনা রাব্বাহুম বিলগাইবি লাহুম মাগফিরাতুওঁ ওয়া আজরুন কাবীর।
    অর্থঃ নিশ্চয় যারা তাদের পালনকর্তাকে না দেখে ভয় করে, তাদের জন্যে রয়েছে ক্ষমা ও মহাপুরস্কার।

    وَاَسِرُّوْا  قَوْلَـكُمْ اَوِ اجْهَرُوْا بِهٖؕ اِنَّهٗ عَلِيْمٌۢ بِذَاتِ الصُّدُوْرِ
    উচ্চারণঃ ওয়া আছিররূকাওলাকুম আবিজহারূবিহী ইন্নাহূ‘আলীমুম বিযা- তিসসুদূ র।
    অর্থঃ তোমরা তোমাদের কথা গোপনে বল অথবা প্রকাশ্যে বল, তিনি তো অন্তরের বিষয়াদি সম্পর্কে সম্যক অবগত।

    اَلَا يَعْلَمُ  مَنْ خَلَقَؕ وَهُوَ اللَّطِيْفُ الْخَبِيْرُ
    উচ্চারণঃ আলা- ইয়া‘লামুমান খালাকা ওয়া হুওয়াল্লাতীফুল খাবীর।
    অর্থঃ যিনি সৃষ্টি করেছেন, তিনি কি করে জানবেন না? তিনি সূক্ষ্নজ্ঞানী, সম্যক জ্ঞাত।

    هُوَ الَّذِىْ جَعَلَ لَـكُمُ الْاَرْضَ ذَلُوْلًا فَامْشُوْا فِىْ مَنَاكِبِهَا وَكُلُوْا مِنْ رِّزْقِهٖ‌ؕ وَاِلَيْهِ النُّشُوْرُ
    উচ্চারণঃ হুওয়াল্লাযী জা‘আলা লাকুমুল আরদা যালূলান ফামশূফী মানা-কিবিহা- ওয়া কুলূমির রিঝকিহী ওয়া ইলাইহিন নুশূর।
    অর্থঃ তিনি তোমাদের জন্যে পৃথিবীকে সুগম করেছেন, অতএব, তোমরা তার কাঁধে বিচরণ কর এবং তাঁর দেয়া রিযিক আহার কর। তাঁরই কাছে পুনরুজ্জীবন হবে।

    ءَاَمِنْتُمْ مَّنْ فِىْ السَّمَآءِ اَنْ يَّخْسِفَ بِكُمُ  الْاَرْضَ فَاِذَا هِىَ تَمُوْرُۙ
    উচ্চারণঃ আ আমিনতুম মান ফিছছামাই আইঁ ইয়াখছিফা বিকুমুল আরদা ফাইযা- হিয়া তামূর।
    অর্থঃ তোমরা কি ভাবনামুক্ত হয়ে গেছ যে, আকাশে যিনি আছেন তিনি তোমাদেরকে ভূগর্ভে বিলীন করে দেবেন, অতঃপর তা কাঁপতে থাকবে।

    اَمْ اَمِنْتُمْ مَّنْ فِى السَّمَآءِ اَنْ يُّرْسِلَ عَلَيْكُمْ حَاصِبًا‌ ؕ فَسَتَعْلَمُوْنَ كَيْفَ نَذِيْرِ
    উচ্চারণঃ আম আমিনতুম মান ফিছছামাই আইঁ ইউরছিলা ‘আলাইকুম হা-সিবান ফাছাতা‘লামূনা কাইফা নাযীর।
    অর্থঃ না তোমরা নিশ্চিন্ত হয়ে গেছ যে, আকাশে যিনি আছেন, তিনি তোমাদের উপর প্রস্তর বৃষ্টি বর্ষণ করবেন, অতঃপর তোমরা জানতে পারবে কেমন ছিল আমার সতর্কবাণী।

    وَلَـقَدْ  كَذَّبَ الَّذِيْنَ مِنْ قَبْلِهِمْ فَكَيْفَ كَانَ نَكِيْرِ
    উচ্চারণঃ ওয়া লাকাদ কাযযাবাল্লাযীনা মিন কাবলিহিম ফাকাইফা কা- না নাকীর।
    অর্থঃ তাদের পূর্ববর্তীরা মিথ্যারোপ করেছিল, অতঃপর কত কঠোর হয়েছিল আমার অস্বীকৃতি।

    اَوَلَمْ يَرَوْا  اِلَى الطَّيْرِ فَوْقَهُمْ صٰٓفّٰتٍ وَّيَقْبِضْنَؕؔ   ۘ مَا يُمْسِكُهُنَّ اِلَّا الرَّحْمٰنُ‌ؕ  اِنَّهٗ بِكُلِّ شَىْءٍۢ بَصِيْرٌ
    উচ্চারণঃ আওয়ালাম ইয়ারাও ইলাত্তাইরি ফাওকাহুম সাফফা-তিওঁ ওয়াইয়াকবিদন । মাইউমছিকুহুন্না ইল্লাররাহমা-নু ইন্নাহূবিকুল্লি শাইয়িম বাসীর।
    অর্থঃ তারা কি লক্ষ্য করে না, তাদের মাথার উপর উড়ন্ত পক্ষীকুলের প্রতি পাখা বিস্তারকারী ও পাখা সংকোচনকারী? রহমান আল্লাহ-ই তাদেরকে স্থির রাখেন। তিনি সর্ব-বিষয় দেখেন।

    اَمَّنْ هٰذَا الَّذِىْ هُوَ جُنْدٌ لَّكُمْ  يَنْصُرُكُمْ مِّنْ دُوْنِ الرَّحْمٰنِ‌ؕ اِنِ الْكٰفِرُوْنَ اِلَّا فِىْ غُرُوْرٍ‌ۚ
    উচ্চারণঃ আম্মান হা-যাল্লাযী হুওয়া জুনদুল্লাকুম ইয়ানসুরুকুম মিন দূ নিররাহমা-নি ইনিল কাফিরূনা ইল্লা- ফী গুরূর।
    অর্থঃ রহমান আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত তোমাদের কোন সৈন্য আছে কি, যে তোমাদেরকে সাহায্য করবে? কাফেররা বিভ্রান্তিতেই পতিত আছে।

    اَمَّنْ هٰذَا الَّذِىْ يَرْزُقُكُمْ اِنْ اَمْسَكَ رِزْقَهٗ‌ ۚ بَلْ لَّجُّوْا فِىْ عُتُوٍّ وَّنُفُوْرٍ
    উচ্চারণঃ আম্মান হা- যাল্লাযী ইয়ারঝকুকুম ইন আমছাকা রিঝকাহূ বাল্লাজ্জূফী ‘উতুওবিওয়া নুফূর।
    অর্থঃ তিনি যদি রিযিক বন্ধ করে দেন, তবে কে আছে, যে তোমাদেরকে রিযিক দিবে বরং তারা অবাধ্যতা ও বিমুখতায় ডুবে রয়েছে।

    اَفَمَنْ يَّمْشِىْ مُكِبًّا عَلٰى وَجْهِهٖۤ اَهْدٰٓى اَمَّنْ يَّمْشِىْ سَوِيًّا عَلٰى صِرَاطٍ مُّسْتَقِيْمٍ
    উচ্চারণঃ আফামাইঁ ইয়ামশী মুকিব্বান ‘আলা- ওয়াজহিহী আহদা আম্মাইঁ ইয়ামশী ছাবি ইয়ান ‘আলা-সিরা-তিমমুছতাকীম।
    অর্থঃ যে ব্যক্তি উপুড় হয়ে মুখে ভর দিয়ে চলে, সে-ই কি সৎ পথে চলে, না সে ব্যক্তি যে সোজা হয়ে সরলপথে চলে?

    قُلْ هُوَ الَّذِىْۤ اَنْشَاَكُمْ وَجَعَلَ لَـكُمُ السَّمْعَ وَالْاَبْصَارَ وَ الْاَفْـــِٕدَةَ  ‌ ؕ قَلِيْلًا مَّا تَشْكُرُوْنَ
    উচ্চারণঃ কুল হুওয়াল্লাযীআনশাআকুম ওয়া জা‘আলা লাকুমুছছাম‘আ ওয়াল আবসা-রা ওয়াল আফইদাতা কালীলাম মা-তাশকুরূন।
    অর্থঃ বলুন, তিনিই তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন এবং দিয়েছেন কর্ণ, চক্ষু ও অন্তর। তোমরা অল্পই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর।

    قُلْ هُوَ الَّذِىْ ذَرَاَكُمْ فِى الْاَرْضِ وَاِلَيْهِ تُحْشَرُوْنَ
    উচ্চারণঃ কুল হুওয়াল্লাযী যারাআকুম ফিল আরদিওয়া ইলাইহি তুহশারূন।
    অর্থঃ বলুন, তিনিই তোমাদেরকে পৃথিবীতে বিস্তৃত করেছেন এবং তাঁরই কাছে তোমরা সমবেত হবে।

    وَيَقُوْلُوْنَ مَتٰى هٰذَا الْوَعْدُ  اِنْ كُنْتُمْ صٰدِقِيْنَ
    উচ্চারণঃ ওয়া ইয়াকূলূনা মাতা-হা-যাল ওয়া‘দুইন কুনতুম সা-দিকীন।
    অর্থঃ কাফেররা বলেঃ এই প্রতিশ্রুতি কবে হবে, যদি তোমরা সত্যবাদী হও?

    قُلْ اِنَّمَا الْعِلْمُ عِنْدَ اللّٰهِ وَاِنَّمَاۤ اَنَا نَذِيْرٌ مُّبِيْنٌ
    উচ্চারণঃ কুল ইন্নামাল ‘ইলমু‘ইনদাল্লা- হি ওয়া ইন্নামাআনা নাযীরুম মুবীন।
    অর্থঃ বলুন, এর জ্ঞান আল্লাহ তা’আলার কাছেই আছে। আমি তো কেবল প্রকাশ্য সতর্ককারী।

    فَلَمَّا رَاَوْهُ زُلْفَةً سِیْٓــَٔتْ وُجُوْهُ الَّذِيْنَ  كَفَرُوْا وَقِيْلَ هٰذَا الَّذِىْ كُنْتُمْ بِهٖ تَدَّعُوْنَ
    উচ্চারণঃ ফালাম্মা-রাআওহু ঝুলফাতান ছীআত ঊজূহুল্লাযীনা কাফারূওয়া কীলা হা-যাল্লাযী কুনতুম বিহী তাদ্দা‘ঊন।
    অর্থঃ যখন তারা সেই প্রতিশ্রুতিকে আসন্ন দেখবে তখন কাফেরদের মুখমন্ডল মলিন হয়ে পড়বে এবং বলা হবেঃ এটাই তো তোমরা চাইতে।

    قُلْ اَرَءَيْتُمْ  اِنْ اَهْلَـكَنِىَ اللّٰهُ وَمَنْ مَّعِىَ اَوْ رَحِمَنَا ۙ فَمَنْ يُّجِيْرُ الْكٰفِرِيْنَ  مِنْ عَذَابٍ اَلِيْمٍ
    উচ্চারণঃ কুল আরাআইতুম ইন আহলাকানিয়াল্লা-হু ওয়া মাম্মা‘ইয়া আও রাহিমানা- ফামাইঁ ইউজীরুল কা-ফিরীনা মিন ‘আযা-বিন আলীম।
    অর্থঃ বলুন, তোমরা কি ভেবে দেখেছ-যদি আল্লাহ তা’আলা আমাকে ও আমার সংগীদেরকে ধ্বংস করেন অথবা আমাদের প্রতি দয়া করেন, তবে কাফেরদেরকে কে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি থেকে রক্ষা করবে?

    قُلْ هُوَ الرَّحْمٰنُ اٰمَنَّا بِهٖ وَعَلَيْهِ  تَوَكَّلْنَا‌ۚ فَسَتَعْلَمُوْنَ مَنْ هُوَ فِىْ ضَلٰلٍ مُّبِيْنٍ
    উচ্চারণঃ কুল হুওয়াররাহমা-নুআ-মান্না-বিহী ওয়া‘আলাইহি তাওয়াক্কালনা-, ফাছাতা‘লামূনা মান হুওয়া ফী দালা-লিম মুবীন।
    অর্থঃ বলুন, তিনি পরম করুণাময়, আমরা তাতে বিশ্বাস রাখি এবং তাঁরই উপর ভরসা করি। সত্ত্বরই তোমরা জানতে পারবে, কে প্রকাশ্য পথ-ভ্রষ্টতায় আছে।

    قُلْ  اَرَءَيْتُمْ اِنْ اَصْبَحَ مَآؤُكُمْ غَوْرًا فَمَنْ يَّاْتِيْكُمْ بِمَآءٍ مَّعِيْنٍ
    উচ্চারণঃ কুল আরাআইতুম ইন আসবাহা মাউকুম গাওরান ফামাইঁ ইয়া’তীকুম বিমাইম মা‘ঈন।
    অর্থঃ বলুন, তোমরা ভেবে দেখেছ কি, যদি তোমাদের পানি ভূগর্ভের গভীরে চলে যায়, তবে কে তোমাদেরকে সরবরাহ করবে পানির স্রোতধারা?

    সূরা মূলকের ফজিলত 

     ১. তিরমিযী শরীফের মধ্যে একটি হাদীসে বর্ণিত আছে, যে ব্যক্তি দৈনিক সূরা মূলক পাঠ  করবে, সে করব আযাব ও কিয়ামতের মুছীবত হতে রক্ষা পাবে এবং জান্নাতবাসী হবে।
    ২. অন্য এক হাদিসে বর্ণিত আছে, যে ব্যক্তি নিয়মিত সূরা মূলক পাঠ করবে তাকে কবরের আজাব থেকে সূরা মূলক রক্ষা করবে কেয়ামত পর্যন্ত।
    ৩. আবু দাউদ (হাদিস নং ১৪০০) বর্ণিত আছে মুহাম্মদ (সঃ ) বলেছেন:  কাল কেয়ামতের মাঠে এক ব্যক্তির উপর জাহান্নাম ওয়াজিব হয়ে গেছিলো। কিন্তু সে সূরা মূলক নিয়মিত পাঠ করতো। তখন সূরা মূলক আল্লাহকে বলবে উমুক ব্যক্তিকে আপনি ক্ষমা করে দিন।  আল্লাহ বললেন না। সূরাটি আবারও বলবে আল্লাহ উমুক ব্যক্তিকে আপনি ক্ষমা করে দিন কারণ সে আমাকে পাঠ করতো। আল্লাহ আবারও না বললেন। এইভাবে সূরাটি আল্লাহর কাছে উমুক ব্যক্তির জন্যে ক্ষমা চাইতেই থাকবে যতক্ষণ না পর্যন্ত আল্লাহ ব্যক্তিটিকে ক্ষমা না করেন।
    ৪. যে লোক সূরা মূলক নিয়মিত পাঠ করবে, তার গুনাহ মাফ হয়ে যাবে এবং পরকালে ইহা তার জন্য সুপারিশ করবে।
    ৫. আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত  মুহাম্মদ (সঃ) বলেছেন, কুরআনে একটি সূরা রয়েছে যা কেবল ত্রিশটি আয়াত। এটি পাঠকারীকে জান্নাতে না নেওয়া পর্যন্ত তার সাথে থাকবে।
    ৬. মুহাম্মদ (সঃ) বলেছেন "সূরা আল মূলক কবরের আযাব থেকে রক্ষাকারী"
    ৭. জাবির বলেছিলেন যে তাবারকাল্লাদি বিয়াদিহিল মুলক (আল-মুলক) এবং আলিফ লাম মীম তানজিল (আস-সাজদা) পড়া না হওয়া পর্যন্ত ঘুমাতে না যাওয়ার রীতি ছিল।
    ৮.  আহমদ, তিরমিযী ও সুনান আল-দারিমি থেকে বর্ণিত, জাবির বলেছিলেন যে তাবা-রাকাল্লাযী বিয়াদিহিল মুলকু (আল-মুলক) এবং আলিফ লাম মীম তানজিল (আস-সাজদা) পড়া না হওয়া পর্যন্ত ঘুমাতে না। 
    ৯. আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস বর্ণনা করেছেন যে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, 'আমার আকাঙ্ক্ষা / ভালবাসা যে সূরাতুল মুলক প্রত্যেক মুসলমানের অন্তরে থাকুক।
    ১০. তিরমিযী হাদিসে তে বর্ণিত আছে, ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেনঃ মুহাম্মাদ (সাঃ) এর একজন সাহাবী  না বুঝে একটি কবরের উপরে তাঁর তাঁবু স্থাপন করেছিলেন।  এবং সে করব থেকে শুনতে পেলো তাবা-রাকাল্লাযী বিয়াদিহিল মুলকু শেষ পর্যন্ত পাঠ করছে। তিনি গিয়ে মুহাম্মাদ (সাঃ) ঘটনাটি বললেন। এবং জানতে চাইলেন কে এটা পাঠ করছিলো? উত্তরে মুহাম্মাদ (সাঃ) বললেন "এটা হলো প্রতিরোধকারী, আল্লাহ তায়ালার আযাব থেকে রক্ষাকারী"
    ১১. মিশকাত আল মিসবাহ তে বর্ণিত আছে, খালেদ বিন মাদাম সূরা আল মুলক ও আস-সাজদা সম্পর্কে বলেছেন যে "এই দুটি সূরা কবরে তাদের আবৃতিকারীর জন্য লড়াই করবে এবং বলবে, হে আল্লাহ! আমরা যদি আপনার বইয়ের (কুরআনের ) অন্তর্ভুক্ত হই তবে তাঁর অনুগ্রহে আমাদের সুপারিশ গ্রহণ করুন। যদি আমরা না হই তবে আমাদের নির্মূল করুন। এই সূরাগুলি পাখির মতো ডানা ছড়িয়ে দেবে এবং ব্যক্তিকে কবরের আযাব থেকে রক্ষা করবে।"
    ১২. ইবনে উমর (রাঃ ) বলেছিলেন যে একবার মুহাম্মদ (সাঃ) সূরা মূলকের দ্বিতীয় আয়াত পাঠ করছিলেন  (তিনিই মৃত্যু ও জীবন সৃষ্টি করেছেন যাতে তিনি তোমাদের পরীক্ষা করতে পারেন যে তোমাদের মধ্যে কে কর্মে উত্তম) এবং যখন তিনি "কাজের মধ্যে উত্তম" কথাটি পৌঁছেছিলেন, তখন তিনি থামিয়ে ব্যাখ্যা করলেন। "কর্মে আরও ভাল" সেই ব্যক্তি হ'ল যে ব্যক্তি আল্লাহ যা নিষেধ করেছেন সে বিষয় থেকে সর্বাধিক পরিহার করে এবং সর্বদা তাঁর আনুগত্য করতে প্রস্তুত থাকে। "

    শেষকথা 

    প্রিয় পাঠকগণ, আশা করি আপনারা সূরা মূলকের ফজিলত কতখানি তা বুঝতে পেরেছেন। দুনিয়াতে চলতে ফিরতে কত লোকের সাথে আমাদের বন্ধুত্ব হয়। কত লোক আমাদের আপন হয়ে যায়। কিন্তু এ সম্পর্ক কিছু সময়ের জন্যে। কাল কেয়ামতের সময় কেউ কাউকে সাহায্য করতে পারবে না।  দুনিয়াতে যাদের বন্ধু বানিয়েছেন আপন বানিয়েছেন তারা কেউ আপনাকে সাহায্য করতে আসবে না।  এমনকি আপনার বাবা মা ভাই বোন স্বামী স্ত্রী কেউ না।  করব আর হাশরের ময়দানে বন্ধু কেউ হবে না। একটু ভাবুন আমরা কত সৌভাগ্যবান, আল্লাহ আমাদের কুরআন দিয়েছেন শেষ নবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর  উম্মত করেছেন, মুসলিম করে দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন। দুনিয়ার কেউ লাগবে না বরং কুরআন নিজেই আপনার বন্ধু হবে কবর আর হাশরের মাঠে। এর চাইতে বড় সাহায্য আর কে করতে পারবে? মুহাম্মদ (সাঃ) এর শাফায়েত কপালে জুটবে তার আর কি চাই? এই বন্ধু কি করে পাবো হাশরে যদি দুনিয়াতে এদের বন্ধু না বানাই? তাই বলছি প্রিয় পাঠকগণ, মৃত্যুর শেষ দিনটি পর্যন্ত আমার চেষ্টা করি ও আমল করি যেন নিয়মিত সূরা মূলক পথ করি এবং মুহাম্মদ (সাঃ)  এর সুন্নাহ মোতাবেক নিজের জীবন পরিচালন করি. আল্লাহ আমাদের আমল করার তৌফিক দান করুন। আমিন 

    ??্??্???ূ?

    BLOGGER: 2

    Name

    2019,6,2020,7,২১ শে ফেব্রুয়ারি,2,Action,2,Actress,1,Adah Sharma,1,Aditya Roy Kapur,1,Alia Bhatt,1,Anil Kapoor,1,Bangla Love Quotes,2,Bank of Bangladesh,3,Biography,2,Bollywood Movie,12,Charur Biye,1,Deepika Padukone,1,Dia Mirza,1,Disha Patani,1,Educational,46,Emraan Hashmi,1,Entertainment,23,Folk Song,1,Health,10,Hindi Shayari,1,HTML,1,Kartik Aaryan,1,Lyrics,7,Meghna Gulzar,1,Mobile,1,Movie-C,1,Movie-D,1,Movie-G,1,Movie-L,1,Movie-M,2,Movie-P,1,Movie-S,1,Movie-T,2,MS Word,1,Natural Photos,3,Nora Fatehi,1,Paragraph - #,1,Paragraph - A,6,Paragraph - B,1,Paragraph - D,3,Paragraph - I,1,Paragraph - M,1,Paragraph - N,1,Paragraph - O,1,Paragraph - T,2,Paragraphs,15,PC Wallpapers,2,Photography,2,Prabhu Deva,1,Rani Mukerji,1,Rishi Kapoor,1,Riteish Deshmukh,1,Routing Number,3,Sad Shayari,1,Samsung,1,Sara Ali Khan,1,Shraddha Kapoor,2,Taapsee Pannu,1,Tech,2,Tiger Shroff,1,Toni-Ann Singh,1,Varun Dhawan,1,Vedhika,1,Vidyut Jammwal,1,Wallpapers,2,অনুচ্ছেদ,7,আজান,1,আয়াতুল কুরসী,2,আল-কুরাইশ বাংলা অনুবাদ,1,ইউটিউব,1,ইংরেজি প্রবাদ বাক্য,4,ইসলাম ও জীবন,35,ইসলামিক বাণী,1,উক্তি,1,কবি পরিচিতি,1,কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি,1,কম্পিউটার রচনা,1,করোনা ভাইরাস,3,কাজী নজরুল ইসলাম,2,কুরআন,13,কৃষিকাজে বিজ্ঞান বাংলা রচনা,1,গুগল,1,ঘুম থেকে জেগে উঠার দোয়া,1,ছবি ঘর,4,জন্মদিনের কবিতা,4,জীবনানন্দ দাশ,13,জীবনানন্দ দাস,1,টিউটোরিয়াল,5,টেক নিউজ,1,টেলিটক,1,ডেঙ্গুজ্বর রচনা,1,দেশাত্মবোধক গান,1,দেশের কবিতা,11,দোয়া,3,নারীর ক্ষমতায়ন রচনা,1,পাঁচ (৫) কালেমা,1,প্রকৃতির কবিতা,1,প্রবাদ - প্রবচন,1,প্রবাদ বাক্য,4,প্রেমের কবিতা,11,প্রেমের বাণী,1,ফজিলত,11,বাণী চিরন্তন,5,বাংলা ২য়,21,বাংলা SMS,1,বাংলা কবিতা,34,বাংলা ব্যাকরণ,3,বাংলা রচনা,34,বাংলা রচনা - ত,1,বাংলা রচনা - #,1,বাংলা রচনা - অ,1,বাংলা রচনা - আ,4,বাংলা রচনা - ই,2,বাংলা রচনা - ক,2,বাংলা রচনা - গ,1,বাংলা রচনা - চ,1,বাংলা রচনা - ছ,1,বাংলা রচনা - জ,2,বাংলা রচনা - ড,1,বাংলা রচনা - ফ,1,বাংলা রচনা - ব,5,বাংলা রচনা - ম,5,বাংলা রচনা - শ,4,বাংলা রচনা - স,4,বাংলা লিরিক্স,6,বাংলা ল্যরিক্স,1,বিরহের কবিতা,9,বিসিএস প্রস্তূতি,1,বৃষ্টির কবিতা,2,বৈশাখের কবিতা,2,ভাবসম্প্রসারণ,41,ভাবসম্প্রসারণ-অ,5,ভাবসম্প্রসারণ-আ,3,ভাবসম্প্রসারণ-উ,1,ভাবসম্প্রসারণ-এ,1,ভাবসম্প্রসারণ-ক,4,ভাবসম্প্রসারণ-চ,1,ভাবসম্প্রসারণ-জ,1,ভাবসম্প্রসারণ-ত,2,ভাবসম্প্রসারণ-দ,5,ভাবসম্প্রসারণ-প,3,ভাবসম্প্রসারণ-ব,4,ভাবসম্প্রসারণ-ভ,1,ভাবসম্প্রসারণ-ম,1,ভাবসম্প্রসারণ-য,1,ভাবসম্প্রসারণ-শ,2,ভাবসম্প্রসারণ-স,7,ভাবসম্প্রসারণ-হ,1,ভালবাসা,1,ভালোবাসার বাণী,1,ভাষা সৈনিক।,1,মাক্কী সূরা,10,মাদানী সূরা,3,মানবকল্যানে বিজ্ঞান রচনা,1,যিকির,5,রচনা - ন,1,রচনা তথ্যপ্রযুক্তি ও বাংলাদেশ,1,রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর,5,রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ,2,রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ,1,রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ - বাণী,2,রেদোয়ান মাসুদ,11,লাইফস্টাইল,9,শবে বরাত,1,শবে বরাতের ফজিলত,1,শৃঙ্খলাবােধ রচনা,1,সমাস,2,সাধারণ জ্ঞান,1,সালাত,2,সুনিল গঙ্গোপাধ্যায়,1,সূরা আল ইখলাস,1,সূরা আল ফাতিহা,1,সূরা আল-মাউন আরবি বাংলা উচ্চারণ,1,সূরা ফীল অর্থসহ বাংলা উচ্চারণ,1,সূরা লাহাব,1,স্বাবলম্বন রচনা,1,স্বাস্থ্য কথা,10,হাদিস,3,হামদ-নাথ,1,হুমায়ূন আহমেদের বাণী,1,
    ltr
    item
    বাংলা রচনা, ভাবসম্প্রসারণ, ব্যাকরণ, কবিতা, ইসলামিক জ্ঞান : অনলাইন স্কুল: সূরা মূলক অর্থসহ বাংলা উচ্চারণ ও ফজিলত | Meaning of Surah Al-Mulk & Benefits
    সূরা মূলক অর্থসহ বাংলা উচ্চারণ ও ফজিলত | Meaning of Surah Al-Mulk & Benefits
    সূরা মূলক (Arabic: سورة الملك‎) পবিত্র কুরআন শরীফের ৬৭ তম সূরা। মূলক শব্দের অর্থ হল সার্বভৌম ক্ষমতা (Sovereignty). সূরাটির আয়াত সংখ্যা ৩০ টি। সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয় তাই এটি মাক্কী সূরার শ্রেণীভুক্ত। এই সূরাটিতে প্রথমে আল্লাহর সার্বভৌম ক্ষমতার কথা বলা হয়েছে এবং মানব সৃষ্টির উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলা হয়েছে।
    https://4.bp.blogspot.com/-fj_LPb48Lec/XlYbewo4lyI/AAAAAAAAEh8/qzSCUBfA5dQaIKXCHDgbw7b6UIxHkNnZACLcBGAsYHQ/s1600/Sura%2BAl-Mulk%2BBENEFITS.jpg
    https://4.bp.blogspot.com/-fj_LPb48Lec/XlYbewo4lyI/AAAAAAAAEh8/qzSCUBfA5dQaIKXCHDgbw7b6UIxHkNnZACLcBGAsYHQ/s72-c/Sura%2BAl-Mulk%2BBENEFITS.jpg
    বাংলা রচনা, ভাবসম্প্রসারণ, ব্যাকরণ, কবিতা, ইসলামিক জ্ঞান : অনলাইন স্কুল
    https://www.hazabarolo.com/2020/01/meaning-of-surah-al-mulk-benefits.html
    https://www.hazabarolo.com/
    https://www.hazabarolo.com/
    https://www.hazabarolo.com/2020/01/meaning-of-surah-al-mulk-benefits.html
    true
    5850489365169561151
    UTF-8
    Loaded All Posts কোন পোস্ট খুঁজে পাওয়া যায় নি। সবগুলো দেখুন আরও পড়ুন Reply Cancel reply Delete By হোম PAGES POSTS সবগুলো দেখুন RECOMMENDED FOR YOU LABEL আর্কাইভ খুঁজুন সকল পোস্ট কোন পোস্ট খুঁজে পাওয়া যায় নি। Back Home Sunday Monday Tuesday Wednesday Thursday Friday Saturday Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat January February March April May June July August September October November December Jan Feb Mar Apr May Jun Jul Aug Sep Oct Nov Dec এইমাত্র 1 minute ago $$1$$ minutes ago 1 hour ago $$1$$ hours ago Yesterday $$1$$ days ago $$1$$ weeks ago more than 5 weeks ago Followers Follow THIS PREMIUM CONTENT IS LOCKED STEP 1: Share to a social network STEP 2: Click the link on your social network Copy All Code Select All Code All codes were copied to your clipboard Can not copy the codes / texts, please press [CTRL]+[C] (or CMD+C with Mac) to copy Table of Content