Uncategorized

নবম শ্রেণির রসায়ন (Chemistry) 7th week Assignment 2021 Answer

Rate this post

নবম শ্রেণির রসায়ন (Chemistry)  7th week Assignment 2021 Answer – অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১

বালু মিশ্রিত খাবার লবণকে খাবার উপযোগী করা সম্ভব। 

নবম শ্রেণির রসায়ন (Chemistry)  7th week Assignment 2021 Answer

নির্ধারিত কাজঃ 

নমুনা উত্তরঃ

পরীক্ষণের নামঃ বালু মিশ্রিত খাবার লবণকে খাবার উপযোগী করা

তত্ত্ব: বালু মিশ্রিত খাবার লবণকে খাবার উপযোগী করা করার জন্য আমাদেরকে দুইটি পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে। কারণ বালু মিশ্রিত লবণে পানি যোগ করলে লবণ পানিতে দ্রবীভূত হয়ে যায়, কিন্তু বালু দ্রবীভূত হয় নাই। তাই আমাদেরকে পরিস্রাবন ও বাষ্পীভবন পদ্ধতির সাহায্যে লবণ ও বালু পৃথক করতে হবে। 

প্রয়োজনীয় উপকরণঃ

১টি কনিক্যাল ফ্লাস্ক,  ১টি ফানেল,  ২টি বিকার, ১টি ফিল্টার পেপার, একটি কাচদন্ড, ত্রিপদীস্ট্যান্ড, স্পিরিট ল্যাম্প, তারজালি।

 কাজের ধাপঃ

ধাপ ১ঃ প্রথমে লবণ ও বালির মিশ্রণটিকে একটি কাচের বিকারে নিয়ে কিছু পানি ঢালতে হবে। এরপর একটি কাঁচদন্ডের সাহায্যে মিশ্রণটিকে ভালভাবে নাড়ি । 

ধাপ ২ঃ এবার একটি ফানেল (চিত্রে দেখানো) কনিক্যাল ফ্লাস্কের মুখে ভালভাবে স্থাপন করি। 

ধাপ ৩ঃ এখন একটি ফিল্টার পেপার ফানেলের মধ্যে যথাযথভাবে স্থাপন করি। তবে ফিল্টার পেপারটি প্রথমে সামান্য পানিতে ভিজিয়ে নিলে ভালো হয়। এতে করে ফিল্টার পেপারটি ফানেলের গাঁয়ে ভালো করে লেগে থাকবে।

ধাপ ৪ঃ এরপর বিকারে  বালি, লবণ ও পানির মিশ্রণটিকে অল্প অল্প করে ফানেলের মধ্যে ঢালি। 

ধাপ ৫ঃ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করি। লক্ষ্য করে দেখবো যে, ফিল্টার পেপারের মধ্য দিয়ে পরিস্রবনের মাধ্যমে লবণ মিশ্রিত পানি বিকারের মাধ্যমে ফোটায় ফোটায় কনিক্যাল ফ্লাস্কের তলায় জমা হচ্ছে। এবং অদ্রবীভূত বালির কণা ফিল্টার পেপারের মধ্যে আটকে যাচ্ছে।

ধাপ ৬ঃ সমস্ত মিশ্রণ পরিস্রবন হয়ে গেলে  কনিক্যাল ফ্লাস্কে জমে থাকা লবণ ও পানি অন্য একটি বিকারে ঢালি। এবং পানি ও লবণকে পৃথক করার জন্য বাষ্পীভবন পদ্ধতি গ্রহণ করি।

ধাপ ৭ঃ একটি ত্রিপদীস্ট্যান্ড উপর তারজালি রেখে লবণ ও পানি মিশ্রিত বিকারটিকে তারজালির উপর স্থাপন করি এবং একটি স্পিরিট ল্যাম্পের সাহায্যে বিকারটিতে তাপ দিতে থাকি। তাপের ফলে পানি বাষ্পীভুত হয়ে উড়ে যাবে এবং অবশিষ্ট রূপে লবণ বিকারের তলায় জমা হবে। 

সাবধানতাঃ উক্ত পদ্ধতিগুলো করার সময় কিছু সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। যেমনঃ
ক) বালি, লবণ ও পানির মিশ্রণটিকে ভালোকরে মিশ্রিত করতে হবে।
খ) পরিস্রাবণ করার সময় মিশ্রণের পরিষ্কার দ্রবণটি প্রথমে ফিল্টার পেপারে ঢালতে হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে যেন বেশি বালি ফিল্টারে জমা না হয়। এতে পরিস্রাবণ দ্রুত হবে।
গ) বাষ্পীভবন করার সময় খেয়াল রাখতে হবে বিকারে পানি শুকিয়ে যাওয়ার আগেই তাপ দেওয়া বন্ধ করতে হবে। যাতে বিকারটি ফেটে না যায়।

সিদ্ধান্তঃ পরিশেষে এই সিদ্ধান্তে আসতে পারি যে, পরিস্রাবণ ও বাষ্পীভবন পদ্ধতির মাধ্যমে বালু মিশ্রিত খাবার লবণকে খাবার উপযোগী করা সম্ভব। 


 এই রকম আরও তথ্য পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন। এর পাশাপাশি গুগল নিউজে আমাদের ফলো করুন। 

Rimon

This is RIMON Proud owner of this blog. An employee by profession but proud to introduce myself as a blogger. I like to write on the blog. Moreover, I've a lot of interest in web design. I want to see myself as a successful blogger and SEO expert.

মন্তব্য করুন

Back to top button