ইসলাম ও জীবন

নফল রোজা আদায় করবেন যেভাবে?

Rate this post
নফল রোজা আদায় করবেন যেভাবে
প্রত্যেক সোমবার এবং বৃহস্পতিবার নবী করীম (সঃ)  নফল রোজা রাখতেন।

পাঁচদিন ব্যতীত সারা বছরের যেকোনো দিন নফল রোজা রাখা যায়। উক্ত পাঁচ দিন হল ঈদুল ফিতরের দিন, ঈদুল আযহার দিন ও ঈদুল আযহার দিনের পরের তিন দিন অর্থাৎ ১১ই, ১২ই ও ১৩ই যিলহজ্জ। এই পাঁচ দিন যেকোনো রোজা রাখা হারাম। তাই এই পাঁচ দিন এবং রমযানের রোজা  ব্যতীত বাকি দিনগুলোতে নফল রোজা রাখা যায়।
যে ব্যক্তি প্রত্যেক চন্দ্র মাসের ১৩ই, ১৪ই, ১৫ই তারিখে নফল রোজা রাখল সে যেন সারা বছর রোজা রাখল। এটাকে আইয়ামে বীযের রোজা বলে। 
প্রত্যেক সোমবার এবং বৃহস্পতিবার নবী করীম (সঃ)  নফল রোজা রাখতেন। এতেও অনেক সওয়াব আছে। বেলা দ্বিপ্রহর এর একঘন্টা পূর্ব পর্যন্ত নফল রোজার নিয়ত করা দুরস্ত আছে।
নফল রোজা শুরু করলে সেটা পুরো করা ওয়াজিব হয়ে যায়। তাই নফল রোজার নিয়ত করার পর সেটা ভাঙলে তার কাযা আদায় করা ওয়াজিব।
স্বামী বাড়িতে থাকা অবস্থায় তার বিনা অনুমতিতে স্ত্রীর জন্য নফল রোজা রাখা দুরস্ত নয় । রাখলে স্বামীর হুকুম করলে তা ভেঙে দিতে হবে এবং পরে কাযা করে দিতে হবে।
মেহমান যদি একা খেতে মনে কষ্ট পায় তাহলে তার খাতিরে  নফল রোজা ভেঙে ফেলতে পারে। ভাঙলে পরে কাযা করে নিতে হবে। তবে এই ভাঙ্গার অনুমতি সূর্য ঢলার পূর্ব পর্যন্ত।


 এই রকম আরও তথ্য পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন। এর পাশাপাশি গুগল নিউজে আমাদের ফলো করুন। 

Rimon

This is RIMON Proud owner of this blog. An employee by profession but proud to introduce myself as a blogger. I like to write on the blog. Moreover, I've a lot of interest in web design. I want to see myself as a successful blogger and SEO expert.

মন্তব্য করুন

Related Articles

Uncategorized

এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র তালিকা ও আসন বিন্যাস প্রকাশ

Rate this post

 

এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র তালিকা ও আসন বিন্যাস প্রকাশ

২০২১ খ্রিষ্টাব্দের এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র তালিকা ও আসন বিন্যাস প্রকাশ করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। এ তালিকায় কেন্দ্র ও এর আওতায় কোন কোন কলেজ রয়েছে তা সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে ঢাকা বোর্ড থেকে কেন্দ্র তালিকা ও আসন বিন্যাস প্রকাশ করা হয়। 

করোনা মহামারির থাবায় দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা পর আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে প্রাথমিক মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলছে। এ পরিস্থিতিতে এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র তালিকা প্রকাশ করা হলো। আগামী ডিসেম্বর মাসের মাঝামাঝি সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।  

কেন্দ্র তালিকায় ঢাকা বোর্ড বলছে, ভ্যেনু কেন্দ্রগুলো মূলকেন্দ্র থেকে টাকা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে পরীক্ষা পরিচালনা করবেন এবং পরীক্ষা শেষে যাবতীয় কাগজপত্র মূলকেন্দ্রে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে জমা দিবেন। জেলা সদরে ডিসি ও উপজেলা সদরে ইউএনও পরীক্ষা কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। পরীক্ষা কেন্দ্র হিসেবে নির্বাচিত কলেজের অধ্যক্ষ বা ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বা স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ বা ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বা সিনিয়র কোন অধ্যাপক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হবেন । 

পরীক্ষার কেন্দ্র তালিকা ও আসন বিন্যাস তুলে ধরা হল। 

কেন্দ্র তালিকা দেখতে ক্লিক করুন


 এই রকম আরও তথ্য পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন। এর পাশাপাশি গুগল নিউজে আমাদের ফলো করুন। 

Rimon

This is RIMON Proud owner of this blog. An employee by profession but proud to introduce myself as a blogger. I like to write on the blog. Moreover, I've a lot of interest in web design. I want to see myself as a successful blogger and SEO expert.

মন্তব্য করুন

Uncategorized

৫ম শ্রেণির ইংরেজি প্রথম সপ্তাহের (০২ – ০৬ মে) বাড়ির কাজ ও নমুনা উত্তর

Rate this post

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমী ন্যাপ থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়রন শিক্ষার্থীদের জন্য অন্তবর্তীকালীন পাঠ পরিকল্পনা ও পরীক্ষা মূলক বাড়ির কাজ প্রকাশ করেছে। কোভিড-১৯  এর কারণে শিক্ষার্থীদের পড়াশুনার ক্ষতি কাটিয়ে উঠার লক্ষে অন্তর্বর্তীকালীন পাঠ পরিকল্পনা ২০২১ প্রকাশ করা হয়েছে। পঞ্চম  শ্রেণির ২ মে ২০২১ থেকে ০৬ মে ২০২১ (প্রথম সপ্তাহের) ইংরেজি এর পাঠ ও বাড়ির কাজে কি কি থাকছে এবং নমুনা উত্তর নিয়ে পাঠদান করব।

৫ শ্রেণির ইংরেজি  প্রথম সপ্তাহের
৫ শ্রেণির ইংরেজি  প্রথম সপ্তাহ


ইংরেজি – ০২ মে

ইউনিট ১ (Hello ), পাঠ ১, পাঠ্যাংশ A (Read  and  Say ), পৃষ্ঠা :২ 

ইউনিট ১ (Hello ), পাঠ ১, পাঠ্যাংশ A (Read  and  Say ), পৃষ্ঠা :২ 

Sima: Hello! May I introduce myself? I’m Sima. (সীমা: হ্যালো আমি কি পরিচিত হতে পারি? আমি সীমা)

Jessica: Hi! I’m Jessica. (জেসিকা: ওহে আমি জেসিকা)

Sima: Where are you going, Jessica? (সীমা: তুমি কোথায় যাচ্ছ জেসিকা)

Jessica: I’m going to Chattogram. I’m on holiday with my father. (জেসিকা: আমি চট্টগ্রাম যাচ্ছি। আমি আমার বাবার সাথে ছুটি কাটাতে যাচ্ছি।)

Sima: Really? Where are you from? (সীমা: সত্যি তুমি কোথা থেকে এসেছো?)

Jessica: I’m from the United Kingdom. Are you from Dhaka? (জেসিকা: আমি যুক্তরাজ্য থেকে এসেছি। তুমি কি ঢাকা থেকে এসেছো?)

Sima: No, I’m from Sylhet. That’s where we’re going. Our train is leaving in 10 minutes. (সীমা: না আমি সিলেট থেকে এসেছি। আমরা সেখানেই যাচ্ছি।  ১০ মিনিটের মধ্যে আমাদের ট্রেন ছেড়ে যাবে)

Jessica: Have a good journey. (জেসিকা: তোমার ভ্রমণ শুভ হোক)

Sima: Thank you. Nice meeting you, Jessica. Have fun in Chattogram. (সীমা: ধন্যবাদ তোমার সাক্ষাৎ পেয়ে আমার ভালো লাগলো জেসিকা আশাকরি চট্টগ্রামে অনেক মজা করবে)

Jessica: Thanks. Nice meeting you, too, Sima. (জেসিকা: ধন্যবাদ তোমার সাক্ষাৎ পেয়ে অনেক ভালো লাগলো সীমা)

ইংরেজি – ০৩ মে

ইউনিট ১ (Hello ), পাঠ ২-৩, পাঠ্যাংশ B , পৃষ্ঠা :৩,  ইংরেজি বাড়ির কাজ ১

 

ইউনিট ১ (Hello ), পাঠ ২-৩, পাঠ্যাংশ B , পৃষ্ঠা :৩

B. Pairwork. Ask and answer the questions.

1 Where is Jessica going?
Ans:  Jessica is going to Chattogram.
2 Why is Jessica going there?
Ans: Jessica is going there to enjoy her holiday.

3 Where is Jessica from?
Ans:  Jessica is from the United Kingdom.  
4 Is Sima from Dhaka?
Ans: No, Sima from Sylhet.

5 Where is Sima going?
Ans:  Sima is going to Sylhet.  

6 When is Sima’s train leaving?
Ans: Sima’s train is leaving in 10 minutes.     

7 Where are Sima and Jessica?
Ans: Sima and Jessica are at the railway station. 

ইংরেজি বাড়ির কাজ ১

০৩ মে একটি বাড়ির কাজ রয়েছে। ইংরেজি বাড়ির কাজ ১

ইংরেজি – ০৪ মে

ইউনিট ১ (Hello ), পাঠ ২-৩, পাঠ্যাংশ C-D , পৃষ্ঠা : ৩
ইউনিট ১ (Hello ), পাঠ ২-৩, পাঠ্যাংশ C-D , পৃষ্ঠা : ৩


C. Useful expressions

At the beginning of a conversation (আলাপচারিতার শুরুতে)
May I introduce myself? I’m… (আমি কি নিজের পরিচয় দিতে পারি? আমি……) 
At the end of a conversation (আলাপচারিতারশেষে)​
Nice meeting you. See you later. (সাক্ষাতে ভালো লাগলো। আবার দেখা হবে। )

D. Pairwork. Introduce yourself. Use useful expressions.

(নমুনা একটি উত্তর দেওয়া হল)
Raiyan: Hello, May I introduce myself? I’m Raiyan.
Abid: Hi! I’m Abid.
Raiyan: I’m from Khulna and You?
Abid: I’m from Faridpur.
Raiyan: I’ve come here in Dhaka last month and today is my first day at school here.
Abid: I see. Welcome to our school.
Raiyan: Thank you. It’s a very big and beautiful school.
Abid: Yes, and our teachers are also very good.
Raiyan: Hope I will enjoy here. Thank you again. It was a nice conversation.
Abid: Welcome. See you again.

ইংরেজি – ০৫ মে

ইউনিট ১ (Hello ), পাঠ ৪-৫, পাঠ্যাংশ E , পৃষ্ঠা : 4
ইউনিট ১ (Hello ), পাঠ ৪-৫, পাঠ্যাংশ E , পৃষ্ঠা : 4
ইউনিট ১ (Hello ), পাঠ ৪-৫, পাঠ্যাংশ E , পৃষ্ঠা : 4
E. Read and say.
Sima and Tamal are in the Town Hall Language Club. They come to the club to practice speaking English. They listen to CDs and watch DVDs in English, or speak English with friends. Today there is a new person in the club. He is a young man. He is reading a book about Bangladesh. 
বাংলা ঃ সীমা ও তমাল টাউন হল ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাবে।  তারা ক্লাবে ইংরেজিতে কথা বলা অনুশীলন করতে আসে। তারা মনোযোগ দিয়ে সিডি  শুনে ও ভিডিও দেখে অথবা বন্ধুদের সাথে ইংরেজিতে কথা বলে।  আজ  ক্লাবে একজন নবাগত আছেন। সে একজন তরুণ সে বাংলাদেশ সম্পর্কে বই পড়ছেন
Sima: Look, Tamal Who’s that gentleman? Do you know him? (তমাল দেখো, ওই ভদ্রলোক কে? তুমি কি তাকে চেনো?)  
Tamal: Yes. That’s Andy Smith. He’s working with an NGO here. I met him yesterday at the bookshop. (হ্যাঁ। তিনি এনডি স্মিথ। তিনি এখানে একটি এনজিওতে কাজ করছেন। গতকাল বইয়ের দোকানে তার সাথে আমার সাক্ষাৎ হয়।) 
Sima: Maybe we can practice our English with him. (সম্ভবত আমরা তার সাথে আমাদের ইংরেজি চর্চা করতে পারি)
Tamal: Good idea. I’ll introduce you to him. Come with me. (ভালো চিন্তা।  আমি তোমাকে তার সাথে পরিচয় করিয়ে দেব। আমার সঙ্গে এসো।)

ইংরেজি – ০৬ মে

ইউনিট ১ (Hello ), পাঠ ৪-৫, পাঠ্যাংশ F , পৃষ্ঠা : 4 ইংরেজি বাড়ির কাজ ২
ইউনিট ১ (Hello ), পাঠ ৪-৫, পাঠ্যাংশ F , পৃষ্ঠা : 4
F. Pairwork. Ask and answer the questions. (ইংরেজি বাড়ির কাজ ২)

1 Where are Sima and Tamal? 
Ans: Sima and Tamal are in the Town Hall Language Club.
2 Why do they go there? 
Ans: They go there to practice speaking English.
3 Who is the new person there? 
Ans: The new person there is Andy Smith.
4 What is he reading? 
Ans: He is reading a book about Bangladesh.
5 Where did Tamal meet the new person? 
Ans: Tamal met the new person at the bookshop.
6 Why does Sima want to meet the new person?
Ans: Sima wants to meet the new person to practice English.

ইংরেজি বাড়ির কাজ ২

০৬ মে একটি বাড়ির কাজ রয়েছে। (ইংরেজি বাড়ির কাজ ২ এর জন্য  F. Pairwork. Ask and answer the questions. দেখো)



 এই রকম আরও তথ্য পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন। এর পাশাপাশি গুগল নিউজে আমাদের ফলো করুন। 

Rimon

This is RIMON Proud owner of this blog. An employee by profession but proud to introduce myself as a blogger. I like to write on the blog. Moreover, I've a lot of interest in web design. I want to see myself as a successful blogger and SEO expert.

মন্তব্য করুন

Uncategorized

বর্তমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় তুমি সারাদিন বাসায় অবস্থান করছো। সময় তালিকা প্রণয়ন করে লেখাপড়া ও অন্যান্য কাজকর্ম করা উচিত। তাই এ পরিস্থিতিতে তোমার দৈনন্দিন কাজকর্ম কীভাবে করছো

Rate this post

  অষ্টম (৮ম) শ্রেণি হোম সাইন্স তৃতীয় সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ এর সমাধান| Class 8 Home Science 3rd Week Assignment 2021 Solution

নির্ধারিত কাজঃ বর্তমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় তুমি সারাদিন বাসায় অবস্থান করছো। সময় তালিকা প্রণয়ন করে লেখাপড়া ও অন্যান্য কাজকর্ম করা উচিত। তাই এ পরিস্থিতিতে তোমার দৈনন্দিন কাজকর্ম কীভাবে করছো-
ক) তোমার সারাদিনের কর্মকাণ্ডের জন্য একটি সময় তালিকা প্রণয়ন কর।

খ)  সময় তালিকা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা কর।

গ) সময় তালিকা প্রণয়নের ক্ষেত্রে তুমি কোন কোন বিষয় বিবেচনা করছো?

উত্তরঃ

প্রতিটি কাজের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট সময় তালিকা থাকা প্রয়োজন। সময় তালিকা অনুযায়ী কাজ করলে তা একদিকে যেমন সুন্দর ও সহজ হয় অন্যদিনে কাজটি নির্দিষ্ট সময়ে শেষ করা যায়। বর্তমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে যেহেতু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ এবং আমাদেরকে বাসায় অবস্থান করতে হচ্ছে সেহেতু সময় তালিকা প্রণয়ন করে লেখাপড়া ও অন্যান্য কাজকর্ম করা উচিত বলে আমি মনে করি। তাই আমি দৈনন্দিন কাজকর্ম কীভাবে করব তার একটি সময় তালিকা তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। 

আমার সারাদিনের কর্মকাণ্ডের একটি সময় তালিকা

  • ৫:০০ টায় – ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়া।
  • ৫:২০ টায় – প্রার্থনা করা।
  • ৫:৪০ টায় – হালকা নাস্তা করা।
  • ৬:০০ টায় – শরীরচর্চা করা।
  • ৬:৩০ টায় – পড়তে বসা 
  • ৮:৩০ টায় – সকালের নাস্তা করা।
  • ৯:৩০ টায় – ঘরের কাজে সহায়তা করা, ঘর গোছানো।
  • ১০:৩০ টায় – গাছ-গাছড়ার পরিচর্যা করা, গাছে পানি দেয়া।
  • ১১:৩০ টায় – গোসল করা।
  • ১২:০০ টায় – দুপুরের খাবার খাওয়া।
  • ১২:৩০ টায় –  বিশ্রাম নেয়া।
  • ১:০০ টায় –  প্রার্থনা করা।
  • ১:৩০ টায় – বিশ্রাম ( ঘুমানো )।
  • ৩:৩০ টায় – পড়তে বসা ।
  • ৪:৩০ টায় – প্রার্থনা করা।
  • ৫:০০ টায় – খেলাধুলা করা।
  • ৬:০০ টায় – প্রার্থনা করা।
  • ৬:২০ টায় – হালকা নাস্তা করা।
  • ৬:৩০ টায় – পড়তে বসা।
  • ৮:৩০ টায় – প্রার্থনা করা।
  • ৯:০০ টায় – রাতের খাবার খাওয়া।
  • ৯:৩০ টায় – পড়তে বসা।
  • ১০:৩০ টায় – টেলিভিশন দেখা।
  • ১১:৩০ টায় – ঘুমাতে যাওয়া।

সময় তালিকা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা

সময় তালিকা অনুযায়ী কাজ করলে তা একদিকে যেমন সুন্দর ও সহজ হয় অন্যদিনে কাজটি নির্দিষ্ট সময়ে শেষ করা যায়। সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে সফলতা অর্জনের জন্য সময় তালিকার প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। নিচে সময় তালিকা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করা হলঃ

  • কোন কাজগুলো বেশি এবং কোন কাজগুলো কম করা প্রয়োজন সে সম্বন্ধে সঠিক ধারণা লাভ করা যায়।
  • করণীয় কাজ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
  • নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ করা যায়। 
  • সময়ানুবর্তিতা গড়ে উঠে। 
  • কাজ অনুযায়ী সময়কে সঠিকভাবে বন্টন করা যায়। 
  • কাজের দক্ষতা ও গতিশীলতা বৃদ্ধি পায়। 
  • সময়মত কাজ শেষ করার পর বাড়তি সময়ে নিজেকে সৃজনশীল কাজে নিয়োজিত করা যায়। 
  • কাজের একঘেমেয়ি যাতে না আসে সেই জন্য বিশ্রাম ও অবসরের দরকার। সময় তালিকা অনুযায়ী কাজ করলে বিশ্রাম ও অবসরের সুযোগ পাওয়া যায়। 

সময় তালিকা প্রণয়নের ক্ষেত্রে আমি  যেসব  বিষয় বিবেচনা করেছি

সময় তালিকা প্রণয়নের ক্ষেত্রে কিছু বিষয় বিবেচনা করতে হয়। সময় তালিকাকে সুষ্ঠুভাবে প্রণয়নের জন্য আমি নিচের বিষয়গুলো বিবেচনা করেছি:
  • সারাদিনে কি কি কাজ করবো তা সবার আগে নির্ধারণ করা। 
  • কোন কাজটি আগে করবো এবং কোন কাজটি পরে করব তা গুরুত্ব অনুসারে অগ্রাধিকার দেওয়া।
  • অন্যের সহযোগিতা প্রয়োজন হলে তার সুবিধা-অসুবিধার দিকটি বিবেচনা করা। 
  • দীর্ঘক্ষণ কাজ করার ফলে শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তাই কাজের ফাঁকে বিশ্রাম ও ঘুমকে বিবেচনা করা। 
  • দৈনন্দিন কাজের জন্য যাতে ধর্মীয় কাজের ব্যাঘাত না ঘটে সেদিকে আমি বিশেষ জোর দিয়েছি।
  • যেহেতু বিদ্যালয় বন্ধ আছে তাই আমি নিজের পড়াশুনাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য রুটিনমাফিক পড়াশুনার প্রতি গুরুতারোপ করছি।
  • নিজেকে  সৃজনশীল কাজে সম্পৃক্ত করার জন্য অবসর সময়কে বিবেচনায় রেখেছি।
  • ভারী ও কঠিন কাজের পর বিশ্রাম নেওয়া।
  • সময় তালিকা এমনভাবে প্রণয়ন করা যাতে পরবর্তী সময়ে কোন কারণে তা পরিবর্তন করা যায়। 


 এই রকম আরও তথ্য পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন। এর পাশাপাশি গুগল নিউজে আমাদের ফলো করুন। 

Rimon

This is RIMON Proud owner of this blog. An employee by profession but proud to introduce myself as a blogger. I like to write on the blog. Moreover, I've a lot of interest in web design. I want to see myself as a successful blogger and SEO expert.

মন্তব্য করুন

Uncategorized

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য যেসব যুক্তি তুলে ধরেছেন সেগুলো সাজিয়ে লিখ

Rate this post

সর্বকালের  সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীনতার স্থপতি, আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য যেসব যুক্তি তুলে ধরেছেন সেগুলো সাজিয়ে লিখ

সর্বকালের  সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীনতার স্থপতি, আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য যেসব যুক্তি তুলে ধরেছেন সেগুলো সাজিয়ে লিখ
সূত্রঃ ইন্টারনেট

সময় বিকেল ২টা ৪৫ মিনিট, তারিখটা ছিল ১৯৭১ এর  ৭ই মার্চ। ঢাকার রমনায় অবস্থিত রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) প্রায় ১০ লাখ মানুষকে যেন প্রাণের জোয়ারে উদ্ভাসিত করেছিল একটি কথা “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম!! এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম।“। কে ছিলেন তিনি?? তিনি ছিলেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান।  

১৮ মিনিট স্থায়ী এই ভাষণ যেন আজও কোটি কোটি মানুষকে আবার নতুন করে যুদ্ধে যাওয়ার নেশায় মাতিয়ে তোলে। মূলত এই ভাষণটি তৎকালীন সময়ের জন্য ছিল যুদ্ধে নামার এক শক্তিশালী অনুপ্রেরণা। কারণ স্বল্প সময়ের এই ভাষণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পরার জন্য অনেক যুক্তি তুলে ধরেছিলেন। যেমনঃ

প্রথম যে যুক্তিটি হল তা হল ভৌগোলিক অবস্থান। অর্থাৎ, পাকিস্তান ও ভারত নামক দু’টি রাষ্ট্রের জন্ম হয়। মাঝখানে ভারত নামক বিশাল রাষ্ট্র রেখে দু’পাশের দু’টি অংশ নিয়ে পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠনের ফলে এক অদ্ভূত ভৌগোলিক অবস্থান তৈরি হয়।

পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ভাষা বাংলা হওয়ায় ভাষা নিয়ে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। আর দ্বন্দ্বটি শুরু হয় ১৯৪৮ সালে পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুকে গ্রহণ করার প্রস্তাব উত্থাপিত হলে।

১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলন অনেকটাই মুক্তিযুদ্ধকে অনুপ্রানিত করেছিল কারণ ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে পাকিস্তানের দু’টি অংশের মধ্যে প্রথম সংঘাতের সৃষ্টি হয়। এবং বাঙালিরা আত্মসচেতন হয়ে ওঠে।

এরপর ভাষণে সামরিক শাসন প্রত্যাহারের দাবিটিও যুদ্ধের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কারণ ছিল, ১৯৫৮ সালে পাকিস্তানের তদানীন্তন প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইস্কান্দার মীর্জা সামরিক শাসন জারি করার পর বঙ্গবন্ধুসহ বহু নেতাকর্মীকে গ্র্রেফতার করা হয়।

১৯৬৬ এর ছয়দফা ঘোষণা, ১৯৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান এর মূল পতিক্রিয়াই ছিল ৭ ই মার্চের ভাষণ।

১৯৭০ সালে  আওয়ামী লীগ পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। কিন্তু পাকিস্তানের সামরিক শাসকগোষ্ঠী এই দলের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে বিলম্ব করতে শুরু করে। মূলত তাদের উদ্দেশ্য ছিল যে-কোনভাবে ক্ষমতা পশ্চিম পাকিস্তানী রাজনীতিবিদদের হাতে কুক্ষিগত করে রাখা। পরিস্থিতি সালাম দিতে তৎকালীন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়া খান ৩রা মার্চ জাতীয় পরিষদ অধিবেশন আহ্বান করেন। কিন্তু পরে অধিবেশন মুলতবি ঘোষণা করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে এবং বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে শুরু হল হরতাল। ডাক আসল অসহযোগ আন্দোলনের। আর এর পূর্ণ রুপ প্রকাশ পেল ৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানে। 

মূলত এই ভাষণে নিগ্রত ও আক্রমন প্রতিরোধের আহবান এবং সেই সাথে দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত পূর্ব পাকিস্তানে হরতাল চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা জানিয়েছিলেন। ৭ই মার্চের ভাষণের পিছনে রয়েছে দীর্ঘ আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট। 

স্বাধীনতা বাঙালির শ্রেষ্ঠ অর্জন। তবে এ স্বাধীনতা একদিনে অর্জিত হয়নি। মহান ভাষা আন্দোলন থেকে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ অর্জনের এই দীর্ঘ বন্ধুর পথে বঙ্গবন্ধুর অপরিসীম সাহস, সীমাহীন ত্যাগ-তীতিক্ষা, বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং সঠিক দিকনির্দেশনা জাতিকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌছে দিয়েছিলো।


 এই রকম আরও তথ্য পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন। এর পাশাপাশি গুগল নিউজে আমাদের ফলো করুন। 

Rimon

This is RIMON Proud owner of this blog. An employee by profession but proud to introduce myself as a blogger. I like to write on the blog. Moreover, I've a lot of interest in web design. I want to see myself as a successful blogger and SEO expert.

43 Comments

  1. ভাইয়া আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। আল্লাহ আপনাকে ভালো রাখুন ।আপনার প্রতিটি ব্লগ থেকে আমি ১ম থেকে ৬ষ্ঠ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট এর উত্তর নিয়েছি। আপনার লেখা অনেক ভালো। আপনি অনেক সুন্দর করে বিষয় উপস্থাপন করেন। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

মন্তব্য করুন

ভাবসম্প্রসারণ

বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়েঃ ভাবসম্প্রসারণ

Rate this post

মূলভাব 

যার প্রকৃত স্থান যেখানে তাকে সেখানে বিরাজ করাটাই মানানসই। এর ব্যত্যয় ঘটলে সমাজে বিরূপ প্রভাব  দেখা দেয়। 

সম্প্রসারিত ভাব

মহামহিম স্রষ্টা পৃথিবীর ভারসাম্য ঠিক রাখার উদ্দেশ্যে নানা ধরনের প্রাণী, গাছপালা, বন-বনানী পাহাড় পর্বত, নদী-নালা, খাল-বিল, সাগর-মহাসাগর সৃষ্টি করেছেন। সেই সাথে প্রতিটি বস্তূ ও প্রাণীর উপযােগী অবস্থান নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন। এজন্যই আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গ মানুষ তাদের স্বদেশের পরিবেশে সুন্দর। কিন্ত‌ু শ্বেতাঙ্গ মানুষের দেশে তারা নিতান্তই অবাঞ্ছিত। কালেভদ্রে যদি কোনাে কৃষ্ণাঙ্গ মানুষ আমাদের দেশে এসে পড়ে, তাহলে তাকে কোনাে আশ্চর্যজনক প্রাণী বলে মনে হবে। অথচ এই কৃষ্ণাঙ্গ মানুষদের রূপ আফ্রিকা তথা নিজেদের দেশের পরিবেশে আত্মীয়-স্বজনের কেবল প্রশংসাই কুড়ায় না, বরং অপরিচিতদেরও মনােমুগ্ধ করে। তার কারণ, কৃষ্ণাঙ্গদের দৈহিক গঠন ও রং সেই দেশের পরিবেশের সাথে মিলপূর্ণ। আমাদের দেশের বন্য প্রকৃতির মধ্যেও যারা লালিত, পালিত, তারা তাদের নিজস্ব পরিবেশেই মানানসই। তাদের পাশে যদি শহরের সভ্য মানুষ এসে দাঁড়ায়, তাহলে তাদের সভ্য পােশাক ও আচার-ব্যবহার বন্য প্রকৃতির সঙ্গে নিতান্তই বেমানান মনে হবে। মানব শিশুর স্থান তার মায়ের কোলে। মায়ের কোলেই তাকে মানায়।
এ মানবশিশুকে যখন ধুলায় অবলুণ্ঠিত অবস্থায় দেখা যায়, তখন একটি বিজাতীয় বিতৃষ্ণায় প্রত্যেকের মন-প্রাণ বিষিয়ে ওঠে। আবার যখন তাকে তার মায়ের কোলে দেখা যায়, তখন তার সৌন্দর্য প্রত্যেককেই মুগ্ধ করে। ঠিক একইভাবে বনের প্রাণী বনেই সুন্দর, বনের বাইরে এদের স্বাভাবিক সৌন্দর্য ক্ষুন্ন হয়। আসলে সৃষ্টিকর্তার সমুদয় সৃষ্টির মধ্যেই একটা মানানসই ও সামঞ্জস্যের বিষয় রয়েছে। সৃষ্টিকর্তা যাকে যেখানে থাকার উপযােগী করে সৃষ্টি করেছেন তাকে সেখানেই মানায়। সৃষ্টির এ অমােঘ নিয়ম লঙ্ঘন করে যদি কারাে নির্দিষ্ট ও নির্ধারিত স্থান থেকে স্থানান্তরিত করা হয় সেটি বেমানান হয়ে পড়ে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সেখানে টিকতে পারে না। 

মন্তব্য

নির্দিষ্ট স্থান ও পরিবেশেই প্রকৃত শােভা বিকশিত হয়, অন্যত্র নয়। সুতরাং যাকে যেখানে রাখা উচিত বা যার যেখান থাকা উচিত তা হওয়াটাই একান্ত কাম্য।

 এই রকম আরও তথ্য পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন। এর পাশাপাশি গুগল নিউজে আমাদের ফলো করুন। 

Rimon

This is RIMON Proud owner of this blog. An employee by profession but proud to introduce myself as a blogger. I like to write on the blog. Moreover, I've a lot of interest in web design. I want to see myself as a successful blogger and SEO expert.

মন্তব্য করুন

Related Articles

জীবনানন্দ দাশপ্রেমের কবিতাবাংলা কবিতা

কবিতাঃ বনলতা সেন (জীবনানন্দ দাশ)

Rate this post

বনলতা সেন
             জীবনান্দ দাশ

হাজার বছর ধ’রে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে,
সিংহল সমূদ্র থেকে নিশীথের অন্ধকারে মালয় সাগরে
অনেক ঘুরেছি আমি, বিম্বিসার অশোকের ধূসর জগতে
সেখানে ছিলাম আমি, আরো দূর অন্ধকারে বিদর্ভ নগরে;

আমি ক্লান্ত প্রাণ এক, চারিদিকে জীবনের সমুদ্র সফেন,
আমারে দু-দণ্ড শান্তি দিয়েছিলে নাটোরের বনলতা সেন।

চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা,
মুখ তার শ্রাবস্তীর কারুকার্য, অতিদূর সমুদ্রের ’পর
হাল ভেঙ্গে যে-নাবিক হারায়েছে দিশা
সবুজ ঘাসের দেশ যখন সে চোখ দেখে দারুচিনি-দ্বীপের ভিতর,
তেমনি দেখেছি তারে অন্ধকারে, বলেছে সে, ‘এতদিন কোথায় ছিলেন?’
পাখির নীড়ের মতো চোখ তুলে নাটোরের বনলতা সেন।

সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন
সন্ধ্যা আসে, ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল,
পৃথিবীর সব রং নিভে গেলে পান্ডুলিপি করে আয়োজন
তখন গল্পের তরে জোনাকির রঙে ঝিলমিল,
সব পাখি ঘরে আসে- সব নদী- ফুরায় এ-জীবনের সব লেন দেন,
থাকে শুধু অন্ধকার, মুখোমুখি বসিবার বনলতা সেন।
[post_ads]

কবি পরিচিতিঃ 
জন্ম: ১৭ ফেব্রুয়ারি ১৮৯৯
জন্মস্থানঃ বরিশাল
মৃত্যু: ২২ অক্টোবর ১৯৫৪ (বয়স ৫৫)
মৃত্যুর কারণ: ট্রাম দুর্ঘটনায়
সমাধি: ভারত
অন্য নাম: মিলু
পিতা: সত্যানন্দ দাশগুপ্ত
মাতা: কুসুমকুমারী দাশ
[সুত্রঃ জীবনানন্দ দাশ – উইকিপিডিয়া ##fa-external-link##]


 এই রকম আরও তথ্য পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন। এর পাশাপাশি গুগল নিউজে আমাদের ফলো করুন। 

Rimon

This is RIMON Proud owner of this blog. An employee by profession but proud to introduce myself as a blogger. I like to write on the blog. Moreover, I've a lot of interest in web design. I want to see myself as a successful blogger and SEO expert.

মন্তব্য করুন

Related Articles

Back to top button