আজান চলাকালীন সময় কথাবার্তা বলা যাবে কিনা বা কথা বললে গুনাহ হবে কিনা?

    আজান চলাকালীন সময় কথাবার্তা বলা যাবে কিনা বা কথা বললে গুনাহ হবে কিনা? আজান চলাকালীন সময় কথাবার্তা বলা যাবে কিনা বা কথা বললে গুনাহ হবে কিনা?
    এই প্রশ্নটি অনেকেরই। যখন মুয়াজ্জিন আজান দেন তখন ওই আজানের আওয়াজ আমাদের কানে ভেসে আসবে তখন আমরা নিজের মধ্যে কথাবার্তা বা কোনো কাজ করতে পারবো কিনা। নাকি সবকিছু স্টপ করে দিতে হবে।
    এই প্রশ্নের উত্তর হলো, যখন মুয়াজ্জিন আজান দিবেন তখন মুসলিমের দায়িত্ব হলো আজানের জওয়াব দেওয়া মুখে । হাতে অন্যান কাজ থাকতে পারে কিন্তু আজানের জওয়াব দেওয়া এটা সুন্নত, মুস্তাহাব। সহীহ বুখারীর একটি হাদীসে বলা হয়েছে নবী করিম হযরত মুহাম্মদ (সঃ ) বলেছেনঃ
    "মুয়াজ্জিন যা বলে তোমরা তা বলো"
    আজানের জওয়াব কিভাবে দিতে হবে তা জানতে এখানে ক্লিক করুন।
    আজানের সময় যদি কেউ কথা বলে তাহলে কোনো গুনাহ হবে না। আমরা অনেকে আজানের সময় কথা বললে মহা পাপ মনে করি।

    শরীয়ত যেটাকে যতটুকু গুরুত্ব দিয়েছে তাকে ততটুকুই গুরুত্ব দিতে হবে। এর ব্যতিক্রম করলে তা বারাবারি হয়ে যাবে। ইসলামের ভিতর মনগড়া কিছু করা যাবে না। মুয়াজ্জিনের আজানের সাথে তার জওয়াব দিলে তার ফজিলত অনেক বেশি। জওয়াব দিলে মুয়াজ্জিনের সাথে সাথে ব্যাকগুলো বললেন ওই আজান শুনে যতগুলো লোক নামাজে আসবে তাদের সবার সমপরিমাণ সওয়াব ওই জবাবদিহিতাকে দেওয়া হবে (সুবাহানাল্লাহ). এটা বিশাল বড় ফজিলতের একটা আমল। অতএব, আজানের সময় তার জওয়াব দেওয়া উত্তম। কিন্তু কেউ যদি কথা বলে গুনাহ হবে না। কারণ নফল আলম তরক করলে এতে গুনাহ হবে না। দরকার হলে কথা বলতে পারবে কিন্তু উত্তম হলো আজানের জওয়াব দেওয়া।
    বাসা বাড়িতে দেখা যায় আজান শুরু হলে মহিলারা মাথায় কাপড় দেন। এমনটা করার কোন নিয়ম নেই বরং মহিলাদের সর্বাবস্থায় মাথায় কাপড় দেওয়া উচিত।

    বি: দ্রঃ উক্ত কথাগুলো শায়েখ আহমাদুল্লাহ মাদানি ভিডিও থেকে নেওয়া হয়েছে।

    0 Comments