Uncategorized

এবার অটোপাস নয়, দেরিতে হলেও পরীক্ষা গ্রহণের সব আয়োজন চলছে

Rate this post

অনলাইন নিউজ ডেস্কঃ

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহাল আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেছেন । দেরিতে হলেও এবারের দুই পাবলিক পরীক্ষা নেওয়া হবে। দেশে করোনা সংক্রমণের কারণে গত বছর এসএসসি পরীক্ষা নেওয়া গেলেও এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নেওয়া যায়নি। পরে বিকল্প পন্থায় ফল দেওয়া হয়েছে। তবে এবার দুটি পাবলিক পরীক্ষাই নিতে চায় সরকার। শিক্ষার্থীদের মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া করার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতি সহনীয় হলে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের আলোকে পরীক্ষা নেওয়া হবে।

এবার অটোপাস নয়, দেরিতে হলেও পরীক্ষা গ্রহণের সব আয়োজন চলছে

এবারও যদি অটোপাসের তকমা দেওয়া হয় সারাজীবন বয়ে বেড়াতে হবে-জিয়াউল কবির দুলু

বছরের প্রথম দিকে, যথাক্রমে ফেব্রুয়ারি ও এপ্রিলের দিকে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু করোনার আঘাতে কোন পরীক্ষাই নেওয়া সম্ভব হয়নি। গতবছরেও পরীক্ষাই নেওয়া সম্ভব হয়নি। দেওয়া হয় অটোপাসের তকমা। 

শিক্ষা প্রশাসন সূত্র বলছে, এবার আর আগের মতো অটোপাসের দিকে হাঁটবে না সরকার। দেরিতে হলেও পাবলিক পরীক্ষা দুটি নেওয়া হবে। আগেই পরীক্ষার সময় ও বিষয় কমিয়ে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রকাশ করা হয়েছিল। মহামারী পরিস্থিতি অনুকূলে এলে ওই সিলেবাসের ভিত্তিতে নভেম্বর ও ডিসেম্বরে পরীক্ষা দুটি নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্যে প্রস্তুতি নিচ্ছে শিক্ষা বোর্ডগুলো।

চলতি বছরের এসএসসি এবং এপ্রিলে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা নেওয়ার সময় থাকলেও করোনার কারণে তা দেওয়া সম্ভব হয়নি। ফলে পরীক্ষা দুইটি  জুন ও আগস্টে নেওয়ার পরিকল্পা নিলেও করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে তাও সম্ভব হয়নি। তবে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানানো হয়েছে নভেম্বর ও ডিসেম্বরে পরীক্ষাগুলোর জন্য সকল প্রকার আনুষঙ্গিক কর্মযজ্ঞ তারা গুছিয়ে নেওয়রা কাজ করছেন। 

বোর্ডের সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণ, পরীক্ষা কেন্দ্রের অনুমোদন দেওয়া, উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য পরীক্ষক নিয়োগ, এমনকি প্রশ্নপত্র-উত্তরপত্র পরিবহনে গাড়ি ভাড়া করাসহ পরীক্ষা গ্রহণের সব আয়োজন চলছে।

এদিকে সরকারের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ বলেন, অটোপাসের চেয়ে সিলেবাস কমিয়ে পরীক্ষা নেওয়া উদ্যোগ- মন্দের ভালো হিসেবে দেখছি। আমরা একটা বিশেষ সময় পার করে চলছি। এই মহামারী না হলে তো স্বাভাবিক পরীক্ষাটাই হতো। এখন বিশেষ কারণে সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যেমনটা হয়েছিল আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময়। আমি শিক্ষার্থীদের বলব তোমরা লেখাপড়া থেকে যেন বিচ্ছিন্ন না থাকো। রাষ্ট্র আমাদের যেভাবেই মূল্যায়ন করার ব্যবস্থা করুক না কেন, তোমরা যেন নিজেকে ঠিকভাবেই প্রস্তুত কর।

সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের পরীক্ষা প্রসঙ্গে অভিভাবক ঐক্য ফোরামের সভাপতি জিয়াউল কবির দুলু বলেন, গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। কবে খুলবে তা এখনো নিশ্চিত নয়। লেখাপড়ার বাইরে থেকে ছেলেমেয়েদের মানসিক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছে। এর মধ্যে যদি তাদের অটোপাস দেওয়া হয়- এই ‘তকমা’ তাদের সারাজীবন বয়ে বেড়াতে হবে। আমরা এটি চাই না। বাস্তবতার নিরিখে যতটা সম্ভব কম সিলেবাস দিয়ে তাদের পরীক্ষা আয়োজন করা হোক। আমরা শিক্ষার্থীদেরও টিকাদানের জোর দাবি জানাচ্ছি।

Rimon

This is RIMON Proud owner of this blog. An employee by profession but proud to introduce myself as a blogger. I like to write on the blog. Moreover, I've a lot of interest in web design. I want to see myself as a successful blogger and SEO expert.

মন্তব্য করুন

Back to top button